সিলেটে ১৫ বছর পর সম্মেলন নগর যুবলীগের

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০১৯      

সিলেট ব্যুরো

সিলেটে ১৫ বছর পর সম্মেলন নগর যুবলীগের

সিলেট নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে শনিবার মহানগর যুবলীগের সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরীসহ নেতারা- সমকাল

দীর্ঘ ১৫ বছর পর সিলেট মহানগর যুবলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল শনিবার বিকেল ৩টায় নগরীর রেজিস্টারি মাঠে বহুল প্রত্যাশিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী। জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

মহানগর যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুশফিক জায়গীরদার ও সেলিম আহমদ সেলিমের সঞ্চালনায় সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি। গতকাল রাত ৮টায় প্রতিবেদন লেখার সময় নগরীর কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়।

এর আগে মহানগরের সম্মেলন উপলক্ষে দুপুর ১২টার পর থেকে নগরীর বিভিন্ন এলাকার যুবলীগ নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনে উপস্থিত হন। এ সময় মাথায় রঙিন ক্যাপ, হাতে নানা ধরনের ব্যানার-ফেস্টুনসহ তাদের স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে সম্মেলনস্থলের চারপাশ। এ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে পুরো নগরীতে পদপ্রত্যাশীদের বর্ণিল ব্যানার ও ফেস্টুন সাঁটানো হয়।

যুবলীগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর দেশের এই উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে যুবলীগকে প্রধান ভূমিকা রাখতে হবে। এ সময় তিনি যুবলীগের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, যুবলীগ আমাদের সম্পদ। যুবলীগকে রাজনীতির পাশাপাশি দেশ গড়ার কাজেও ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো মানবসম্পদ। আর এই মানবসম্পদ যদি আমরা যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারি তবে অচিরেই বাংলাদেশ একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হবে।

সম্মেলনে প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক মো. হারুনুর রশীদ। অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আহমদ আল কবির, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ সদস্য অ্যাডভোকেট লুৎফুর রহমান, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে মহানগর যুবলীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। পরে ২০১৪ সালে কেন্দ্র থেকে তিন মাসের জন্য আহ্বায়ক কমিটি গঠন করে দেওয়া হয়।