গাইবান্ধায় জিএম কাদের

বন্যার্তদের সরকারি ত্রাণ অপ্রতুল

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০১৯      

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, বন্যায় মানুষ খুবই কষ্ট পাচ্ছে। কিন্তু সে অনুযায়ী সরকারের ত্রাণ তৎপরতা তেমন নেই। তিনি বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকাকালে ১৯৮৮ সালে বন্যার সময় নিজে পানিতে নেমে বানভাসিদের মধ্যে রিলিফ বিতরণ করেছেন। দেশবাসীর প্রতি ছিল তার অসীম ভালোবাসা। তাই বন্যার্তরা সে সময় পর্যাপ্ত ত্রাণ পেয়েছেন। তিনি বলেন, সরকারের উচিত যেভাবে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাদের প্রত্যেককে পর্যাপ্ত ত্রাণ বিতরণ করা।

গতকাল শনিবার গাইবান্ধা এনএইচ মডার্ন হাইস্টু্কলে আশ্রয় গ্রহণকারী বন্যার্ত জনগণের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণকালে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এসব কথা বলেন। এ সময় বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ, দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আহসান আদেলুর রহমান আদেল এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক এমপি আব্দুর রশিদ সরকার, সরওয়ার হোসেন শাহীন প্রমুখ।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের আরও বলেন, আমরা এই দুর্দিনে আপনাদের পাশে থেকে কষ্টের ভাগিদার হতে এসেছি। আমরা যেখানেই গেছি, সেখানেই সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জন্য সাধারণ মানুষের চোখে পানি দেখেছি।

তার জন্য মানুষের ভালোবাসা  ছিল  অপরিসীম। এই জনপ্রিয় নেতার আদর্শ, নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা  হবে। আপনারা দোয়া করবেন আগামীতে যাতে আমরা সরকার গঠন করতে পারি। আমরা মানুষের দুঃখ-দুর্দশা দূর করার চেষ্টা করব।

পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গাঁ বলেন, সরকার মানুষের এ দুঃসময়ে কোনো খোঁজ নিচ্ছে না। যে সরকার জনগণের খোঁজ নেয় না, সে সরকারের কোনো প্রয়োজন নেই। জাতীয় পার্টি মানুষের জন্য কাজ করে। এর আগে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চণ্ডিপুর হাইস্কুল মাঠে এক সমাবেশে বক্তব্য দেন। পরে বাদামের চর ও লালচামার চরে বানভাসি মানুষের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। নেতৃবৃন্দ গাইবান্ধা শহরের জেলখানা মোড়েও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন। এ সময় পথসভায় বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউল করিম সরকার, জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহজাহান খান আবু, সাধারণ সম্পাদক রাগিব হাসান চৌধুরী হাবুল, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউন্নবী রাজু প্রমুখ।