সিলেট হাইটেক পার্ক এখন বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্ক

নামফলক উন্মোচনে তিন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০১৯      

সিলেট ব্যুরো

সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কের নামফলক উন্মোচন করা হয়েছে। গতকাল শনিবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক নামফলকের উন্মোচন করেন। প্রথমে নির্মাণাধীন এই পার্কের নাম ছিল হাইটেক পার্ক, সিলেট। পরে সেটির নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্ক। গতকাল হাইটেক পার্কের ভেতরে নির্মিতব্য শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা। এ ছাড়া হাইটেক পার্ক ঘুরে দেখেন তিন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কের নামফলক উন্মোচনের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশে এখন খুবই  উপযুক্ত পরিবেশ বিরাজ করছে। এই হাইটেক পার্কে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিসহ বিপুল কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ হবে, যা এ অঞ্চলের অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনে অবদান রাখবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ অনুযায়ী আইসিটি সেক্টর হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি। তথ্যপ্রযুক্তি মানুষের সৃজনশীলতা ও কর্মক্ষমতা সৃষ্টিতে বিরাট অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ওসমানী মেডিকেল কলেজ, এমসি কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে লক্ষাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। মূলত তাদের কথা বিবেচনা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ অঞ্চলের জন্য একটি হাইটেক পার্ক প্রতিষ্ঠার কথা বলেছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় তিনি ২০১৬ সালের ২১ জানুয়ারি সিলেট হাইটেক পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সিলেটকে তিনি একটি প্রযুক্তি নগরী হিসেবে গড়ে তোলার সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোসনে আরা বলেন, ১৬২ দশমিক ৮৩ একর জায়গা নিয়ে এই পার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে। অচিরেই আরও ৬৪০ একর জমি এ প্রকল্পের অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক কাজী এম এমদাদুল ইসলাম, সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেছা হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান শামীম আহমদ প্রমুখ।