মাদকবিরোধী যুদ্ধে মেধাবী তরুণদের নেতৃত্ব দিতে হবে- আইজিপি

প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০১৯      

সমকাল প্রতিবেদক

পুলিশ মহাপরিদর্শক ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী বলেছেন, মাদক সমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। আমরা উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে মাদক বড় অন্তরায়। পুলিশ মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। মাদকের বিরুদ্ধে এ আন্দোলনকে সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। এ আন্দোলনে নেতৃত্বে এগিয়ে আসতে হবে দেশের মেধাবী তরুণ সমাজকে। গতকাল শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজের কনভেনশন সেন্টারে পুলিশে কর্মরত সদস্যদের কৃতী সন্তানদের 'মেধাবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠান ২০১৯'-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

অতিরিক্ত আইজিপি (এইচআরএম) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুনাক সভানেত্রী হাবিবা জাবেদ, র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ এবং অতিরিক্ত আইজিপি (এঅ্যান্ডও) ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন এআইজি (হেলথ অ্যান্ড এডুকেশন) তাপতুন নাসরীন।

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বলেন, আমরা সার্টিফিকেট নির্ভর শিক্ষা চাই না। আমরা চাই মানবিক মূল্যবোধ, চারিত্রিক ও নৈতিকতাসম্পন্ন আলোকিত মানুষ, যারা সমাজ ও দেশকে আলোকিত করতে পারবেন। যাদের দেখে অন্যরা উৎসাহিত হবেন।

বেনজীর আহমেদ বলেন, পুলিশ বাহিনীর পরিধি অনেক বেড়েছে। পুলিশের প্রতি মানুষের প্রত্যাশাও দিন দিন বাড়ছে। পুলিশ সদস্যদের মেধাবী সন্তানদের স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জ্ঞান-বিজ্ঞানে তোমাদের এগিয়ে থাকতে হবে।

ড. মো. মইনুর রহমান চৌধুরী বলেন,  বর্তমান তথ্যপ্রবাহের যুগে সবকিছু উন্মুক্ত। এর মধ্যে যা ভালো তা গ্রহণ করতে হবে। তিনি মোবাইল ফোনের অপব্যবহার না করার জন্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

হাবিবা জাবেদ বলেন, স্বীকৃতি মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। এটা আবার মানুষের মধ্যে অহংকারও তৈরি করে। এক্ষেত্রে সর্তক থাকার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।

চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, মেধাবৃত্তি চালুর ফলে পুলিশ সদস্যদের সন্তানদের মাঝে মেধার চর্চা বাড়বে। এতে অন্যরাও উৎসাহিত হবে।

অনুষ্ঠানে ২০১৮ সালে এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ ৫ এবং এ লেভেল পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলের জন্য ২০১ জনকে মেধাবৃত্তি প্রদান করা হয়েছে। আইজিপি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে ক্রেস্ট, সার্টিফিকেট ও নগদ অর্থ তুলে দেন।