ব্র্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুরস্কৃত কবি মারুফুল ইসলাম

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য একাডেমি পুরস্কারে ভূষিত হলেন একাধিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি মারুফুল ইসলাম। গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে আয়োজিত বৈশাখী উৎসবে পুরস্কার দিয়ে তাকে সম্মানিত করে সাহিত্য একাডেমি ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

কবির হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক ও শিল্প-সাহিত্য সমালোচক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। এতে সভাপতিত্ব করেন সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন।

সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম বলেন, ছন্দের ওপর অসাধারণ দখল থাকায় মারুফুল ইসলামের কবিতায় কখনও ছন্দের পতন ঘটেনি। প্রতিটি কবিতায় একেকটি বিরল মুহূর্ত উন্মোচিত হয়েছে। তার কবিতায় নিজস্ব ভাষাভঙ্গি খুঁজে পাওয়া যায়। ভাষার প্রকরণগত বৈচিত্র্য ও চিত্রকল্প নির্মাণে দক্ষতার ছাপ

রয়েছে। তার প্রতিটি কাব্যগ্রন্থই

স্বাতন্ত্র্যের দাবি রাখে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক মঈনুল আহসান সাবের, কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক মাহবুবুল আরফিন, পিটিআই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাবেক সুপারিনটেনডেন্ট জেসমিন খানম ও মুক্তিযোদ্ধা আবু তাহের। স্বাগত বক্তব্য দেন সাহিত্য একাডেমির নির্বাহী সদস্য নেলী আক্তার।

পুরস্কার প্রাপ্তির পর অনুভূতি প্রকাশ করে কবি মারুফুল ইসলাম বলেন, প্রতিটি পুরস্কারই আনন্দের। পুরস্কার পেলে দায়িত্ব বেড়ে যায়। আর এ সংগঠনের পুরস্কার অনেক গৌরবের। তাছাড়া নিজের জন্মভূমি থেকে যদি স্বীকৃতি পাওয়া যায়, সেটির আনন্দ ও গৌরব অনেক বেশি।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন বলেন, বাংলা কবিতার ক্ষেত্রে মারুফুল ইসলাম বিশেষ অবদান রেখেছেন। তিনি বাংলাদেশের একজন শক্তিমান কবি। তার অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সাহিত্য একাডেমি পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

অনুষ্ঠানের শেষে ছিল তিতাস ললিতকলা একাডেমির সাংস্কৃতিক পরিবেশনা।