টাঙ্গাইলে পাকিস্তানি কিশোরী ধর্ষণের শিকার

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০১৯

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে চাচাতো ভাইয়ের বিরুদ্ধে পাকিস্তানি কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ছয় মাসের ভিসায় মায়ের সঙ্গে বাংলাদেশে বেড়াতে এসে মেয়েটি এ যৌন নির্যাতনের শিকার হয়। সে পাকিস্তানের নিউ করাচি শহরের একটি স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে।

গোপালপুর থানার ওসি হাসান আল মামুন জানান, গোপালপুর উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা মেয়েটির বাবা আনুমানিক ২৫ বছর আগে নিউ করাচি গিয়ে বসবাস শুরু করেন। সেখানেই বিয়ে করে গার্মেন্ট ব্যবসা শুরু করেন। ধর্ষণের শিকার মেয়েটি তাদের একমাত্র সন্তান।

কিশোরীর মা জানান, দীর্ঘদিন ধরে তাদের মেয়ে বাবার দেশ দেখতে চাইছিল। ব্যবসার ঝামেলার জন্য তার বাবা আসতে পারেননি। একপর্যায়ে তিনি স্ত্রী-সন্তানকে বাংলাদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে স্বামীকে পাকিস্তানে রেখেই পাঁচ মাস আগে ছয় মাসের ভিসায় মেয়েকে নিয়ে গোপালপুরে আসেন তিনি। ওঠেন এক ভাশুরের বাড়িতে।

তিনি বলেন, দেশে আসার কিছু দিন পরই আরেক ভাশুর আবুল হোসেনের ছেলে বখাটে আল আমিন মেয়েটিকে উত্ত্যক্ত করা শুরু করে।

গত মঙ্গলবার রাতে একদল সন্ত্রাসীর সহযোগিতায় মেয়েটিকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায় সে। এর পর বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে তাকে কয়েকবার ধর্ষণ করে।

পরদিন আল আমীনসহ তিনজনকে আসামি করে মেয়েটির মা গোপালপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। গোপালপুর থানা পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার ভোরে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার মহিষাকান্দি মোড়ের একটি বাসা থেকে আটক অবস্থায় মেয়েটিকে উদ্ধার করে।