লানসা ও ব্র্যাক গবেষণার তথ্য উপস্থাপন শস্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টিতে ইতিবাচক প্রভাব রাখবে

প্রকাশ: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭      

সমকাল প্রতিবেদক

গ্রামীণ পর্যায়ে কৃষিতে শস্য ও খাদ্য বৈচিত্র্যকরণ পুষ্টির ওপর ইতিবাচক প্রভাব রাখতে সক্ষম। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ব্র্যাক সেন্টারে 'শস্যবৈচিত্র্য, খাদ্যবৈচিত্র্য এবং বাংলাদেশের গ্রামীণ পর্যায়ে পুষ্টির ওপর এর প্রভাব :নির্বাচিত খানার ওপর সমীক্ষা' শীর্ষক এক গবেষণা প্রবন্ধে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক গবেষণা অংশীদার লেভারেজিং এগ্রিকালচার ফর নিউট্রিশন ইন সাউথ এশিয়া (লানসা) ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক যৌথভাবে এ সেমিনারের আয়োজন করে। এতে পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ছিল যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা ইউকেএইড। 'বাংলাদেশের পুষ্টি উন্নয়নে কৃষির ভূমিকা' শীর্ষক এ সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কায়কোবাদ হোসেন। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব বলাই কৃষ্ণ হাজরা, ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আবদুল বায়েস, আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা ওয়ার্ল্ড ফিশের আবাসিক প্রতিনিধি ম্যালকম ডিকসন প্রমুখ।

গবেষণা জরিপটি পরিচালনায় নেতৃত্ব দেন লানসা-ব্র্যাকের কনসালট্যান্ট ড. উত্তম কুমার দেব ও ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক আবদুস বায়েস। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, সমীক্ষাকালীন কম ওজনের পুরুষ জনসংখ্যা ৪ দশমিক ৪ শতাংশ এবং নারী ৫ দশমিক ৩ শতাংশ হারে হ্রাস পেয়েছে। অন্যদিকে স্বাভাবিক ওজনের জনসংখ্যা ২ দশমিক ৩ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে স্বাভাবিক ওজনের পুরুষ জনসংখ্যা ১ দশমিক ৯ শতাংশ এবং নারী ২ দশমিক ৭ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।



সেমিনারে 'বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য দুধের ভ্যালুচেইন-সংক্রান্ত একটি সমীক্ষা' উপস্থাপন করেন ব্র্যাকের কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা কর্মসূচির প্রধান ড. সিরাজুল ইসলাম। 'হাওর এলাকায় শিশুপুষ্টি উন্নয়নে করণীয়' শীর্ষক আরেকটি উপস্থাপনা তুলে ধরেন ব্র্যাকের গবেষণা ও মূল্যায়ন বিভাগের খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি ইউনিটের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো বর্ণালী চক্রবর্তী। এ ছাড়া ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে 'গ্রামীণ বাংলাদেশে খাদ্যগ্রহণের ধরনের ওপর কৃষির প্রভাব' শীর্ষক আরও একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির গবেষণা বিশ্নেষক তাওসিফ সালাহউদ্দিন।