মিয়ানমারের মানবাধিকার কমিশনও জানাল নিধন চলছে

প্রকাশ: ১১ অক্টোবর ২০১৭      

সমকাল প্রতিবেদক

মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিধন চলছে বলে সে দেশের মানবাধিকার কমিশনও স্বীকার করেছে। বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের দেওয়া চিঠির জবাবে রাখাইন রাজ্যে এ হত্যা-নির্যাতনের কথা তারা স্বীকার করে। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে কমিশন কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুল হক। এ ছাড়া সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের ভেতর জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে বাফার জোন তৈরিসহ ৭ দফা সুপারিশ করে মানবাধিকার কমিশন। উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে- জাতিসংঘের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সরকারের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার উদ্যোগ, বাংলাদেশে বসবাসরত ১০ লাখ রোহিঙ্গার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা প্রদান ও
নাগরিকত্ব দেওয়া।
কাজী রিয়াজুল বলেন, 'মিয়ানমার
মানবাধিকার কমিশনের কাছে আমরা গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় মানবাধিকার কমিশন থেকে চিঠি দিয়েছিলাম। তারা চিঠির জবাবে রোহিঙ্গা নির্যাতনের কথা স্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্য ও মিয়ানমার সরকারের বক্তব্য ভিন্ন।'
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সার্বক্ষণিক সদস্য মো. নজরুল ইসলামসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে জাতিসংঘের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে নীতি পরিবর্তনের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে প্রস্তাব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাজী রিয়াজুল হক বলেন, জাতিসংঘের স্থায়ী পরিষদের সদস্য দেশগুলোর যে কোনো একটি দেশ যদি কোনো বিষয়ে ভেটো দেয়, তবে তা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয় না, যা একটি অগণতান্ত্রিক পদ্ধতি। এটা সংস্কার করা দরকার। তাই আগামী অধিবেশনে এ বিষয়টি সংস্কার করতে বাংলাদেশ প্রস্তাব দিতে পারে।
কাজী রিয়াজুল হক বলেন, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের বিতাড়নে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করছে। পৃথিবীর ইতিহাসে এ ধরনের নৃশংস ঘটনা বিরল। বাংলাদেশ থেকে দ্রুত ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য সব দেশের পক্ষ থেকে চাপ দিতে হবে। তিনি বলেন, মিয়ানমার বাংলাদেশকে যুদ্ধের মধ্যে ঠেলে দিতে চায়। তাই তারা আকাশসীমা লগ্ধঘন করেছে। বাংলাদেশ ধৈর্য ধরেছে। কারণ বাংলাদেশ শান্তি চায়। মিয়ানমার সারাবিশ্বের কাছে ঝুঁকি। তিনি বলেন, সবাইকে মানবতা বুঝতে হবে। কারণ মানবতা সবার জন্য। মিয়ানমারের সেনাবাহিনী রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব কেড়ে নিচ্ছে, তাদের মৌলিক অধিকার বঞ্চিত করছে। এ কারণে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে।
রোহিঙ্গাদের ওপর মিয়ানমার সরকারের গণহত্যা ও নির্যাতন প্রসঙ্গে কাজী রিয়াজুল হক বলেন, পাঁচ পরাশক্তি থাকবে কি, থাকবে না তাও চিন্তা করা দরকার। মিয়ানমারে চীনের অর্থনৈতিক জোন করার জন্য বিনিয়োগ রয়েছে। তাই তাদের স্বার্থে জাতিসংঘ সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। তা হওয়া উচিত নয়। জাতিসংঘকে গণতান্ত্রিক হতে হবে। রাষ্ট্রীয় স্বার্থ রাষ্ট্রের, কিন্তু মানবাধিকার সার্বজনীন। জাতিসংঘে গণতন্ত্রের চর্চা থাকতে হবে।


বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার

বিভিন্ন স্থানে বিএনপি-জামায়াতের শতাধিক নেতাকর্মী গ্রেফতার

দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিএনপি-জামায়াত ও এর অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ...

কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপা ভোট চাইলেন ধানের শীষে

কণ্ঠশিল্পী কনক চাঁপা ভোট চাইলেন ধানের শীষে

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি ও গণতন্ত্র রক্ষায় শুক্রবার দুপুরে ...

ভরাডুবির শঙ্কায় আওয়ামী লীগ বেসামাল: ড. মোশাররফ

ভরাডুবির শঙ্কায় আওয়ামী লীগ বেসামাল: ড. মোশাররফ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং কুমিল্লা-১ ও ২ আসনে দলের ...

নির্বাচনকে ঘিরে মত প্রকাশের অধিকার হুমকিতে

নির্বাচনকে ঘিরে মত প্রকাশের অধিকার হুমকিতে

নির্বাচনকে ঘিরে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার ও ভয় দেখিয়ে বাংলাদেশের ...

নারায়ণগঞ্জে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক ১৭২

নারায়ণগঞ্জে চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আটক ১৭২

নারায়ণগঞ্জে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে নির্বাচনে নাশকতার পরিকল্পনার ...

'বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও অগ্রগতিতে হুমকি জামায়াত'

'বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও অগ্রগতিতে হুমকি জামায়াত'

বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও অগ্রগতির ক্ষেত্রে মৌলবাদী জামায়াতে ইসলামী একটি হুমকি। ...

ড. কামালের ওপর হামলার বিষয়ে অবহিত নয় ইসি: সচিব

ড. কামালের ওপর হামলার বিষয়ে অবহিত নয় ইসি: সচিব

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলার বিষয়ে ...

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে হামলা মেনে নেওয়া যায় না: ড. কামাল

বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে হামলা মেনে নেওয়া যায় না: ড. কামাল

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, 'শহীদ ...