টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা এসডিজি অর্জনে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন। তিনি বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জনে বেসরকারি খাতে আরও বড় বিনিয়োগ প্রয়োজন। বেসরকারি খাত, সরকারি খাত, সুশীল সমাজ ও এনজিওদের মধ্যে অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে হবে। এসডিজি অর্জন নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে গতকাল বৃহস্পতিবার এসব কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

'এসডিজি রিপোর্ট' নামে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বেসরকারি বীমা প্রতিষ্ঠান গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স। ব্যবসায় সামাজিক সিএসআর সেন্টার এবং ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি বাংলাদেশের যৌথ সহযোগিতায় এটি প্রকাশ করা হয়। রাজধানীর হোটেল ওয়েস্টিনে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারজানা চৌধুরী। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বেসরকারি পর্যায়ে এটি এসডিজিবিষয়ক প্রথম প্রতিবেদন।

সিএসআর সেন্টারের চেয়ারম্যান ফারুক সোবহানের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, বীমা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সদস্য মোশাররফ হোসেন, যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত রবার্ট চ্যাটার্টন ডিকসন ও জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এসডিজি অর্জনে বিশ্বব্যাপী বছরে প্রায় ৯০০ থেকে এক হাজার ২০০ বিলিয়ন ডলারের অর্থ প্রয়োজন। কয়েক বছর উন্নত দেশগুলো যে জোগান দিয়েছে, তা মোট চাহিদার মাত্র ২ দশমিক ৮ শতাংশ। পিছিয়ে থাকা দেশগুলো বরাদ্দ পেয়েছে সামান্যই।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি খাতকে সরকারের সঙ্গে এসডিজি বাস্তবায়নে দায়িত্ব নিতে হবে। ফারজানা চৌধুরী বলেন, এসডিজির মূলনীতির আলোকে পরিবেশ প্রতিবেশ ঝুঁকি এড়িয়ে মানুষের জীবনমান উন্নয়নে উদ্ভাবনী সেবা প্রদানে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছে গ্রিন ডেল্টা ইন্স্যুরেন্স। এসডিজি অর্জনে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে আন্তঃপ্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা বাড়ানো গেলে জাতীয় পর্যায়ে লক্ষ্যমাত্রা সহজ হবে বলে মনে করেন তিনি।

মন্তব্য করুন