আজকের শিল্পী

পারিবারিক অন্তঃকলহকে তুলে ধরা হয়েছে

প্রকাশ: ১৯ এপ্রিল ২০১৯     আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০১৯

শানারেই দেবী শানু। অভিনেত্রী। এনটিভিতে প্রচার হচ্ছে তার অভিনীত ধারাবাহিক নাটক 'সোনার খাঁচা'। বৃন্দাবন দাস রচিত এবং সাগর জাহান পরিচালিত নাটক ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হয় তার সঙ্গে-

অনেকে বলেন, বর্তমানে বেশিরভাগ কমেডি নাটক গড়পড়তা ঘরানার। 'সোনার খাঁচা' ধারাবাহিকটি কতটা আলাদা?

এটা সত্যি, সাধারণত কমেডি নাটকে দর্শককে জোর করে হাসানোর চেষ্টা করা হয়। তবে এ নাটকটি কিছুটা হলেও আলাদা ঘরানার। গল্পের প্রয়োজনে 'সোনার খাঁচা'তে হাস্যরসের মাধ্যমে পারিবারিক অন্তঃকলহকে তুলে ধরা হয়েছে। নির্মাতা সাগর জাহানও আরোপিত উপায়ে দর্শক হাসানোর চেষ্টা করেননি।

আপনার অভিনীত 'নিয়তি' চরিত্রটি নিয়ে কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

বেশ ভালো। চ্যালেঞ্জিং চরিত্রটি দর্শক দারুণ উপভোগ করছে। এরই মধ্যে নাটকের অনেক পর্ব প্রচার হয়েছে। এতে আমি ট্রিপিক্যাল হিন্দু বউয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছি। শুচিবায়ু স্বভাবের। সব সময় স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া লেগেই থাকে। নাটকে আমি পাবনার ভাষায় সংলাপ বলেছি।

ব্যক্তিজীবনের সঙ্গে চরিত্রটির কোনো মিল রয়েছে?

[হাসি] একদমই না। নিজের সঙ্গে কোনো মিল নেই বলেই তো চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজটি করেছি। ব্যক্তি মানুষ হিসেবে আমি খুবই শান্ত প্রকৃতির।

'মিস্টার বাংলাদেশে'র পর নতুন কোনো ছবিতে কাজের প্রস্তাব

পেয়েছেন কি?

বেশ কিছুদিন ধরেই নতুন একটি ছবিতে কাজের কথাবার্তা চলছে। গল্প নিয়ে একবার বসেছি। তবে চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত এখনও হয়নি। সবকিছু ঠিক হলে, শিগগিরই নতুন ছবির ব্যাপারে সুখবর দিতে পারব। এর বাইরে খিজির হায়াত খানের পরিচালনায় 'নার্কোস ঢাকা' শিরোনামে একটি ওয়েব সিরিজে অভিনয় করার কথা চলছে।

আপনি তো লেখালেখির সঙ্গেও যুক্ত আছেন...

হ্যাঁ, 'লিপস্টিক' নামে নতুন একটি উপন্যাস নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। আগামী বইমেলায় প্রকাশ করার ইচ্ছা আছে। এটি নারীর সংগ্রামের গল্প, আবার অন্যদিকে পুরুষেরও গল্প। যেসব নরপশুর কারণে নারীরা সম্মান হারাচ্ছেন, সেই সব পুরুষের বিরুদ্ধে উপন্যাসটি প্রতিবাদের সুর হবে।

জীবনে এমন কী আছে, যা বারবার ফিরে পেতে চান?

জীবনে শুধু সময় ছাড়া আর কিছুই হারাইনি। আমার চাওয়া- এ জীবন সরলরেখায় বয়ে যাক। হারানো সময় আর ফিরে পেতে চাই না। শেষটা দেখার আশায় নিরন্তর চলছি। প্রতিটি মুহূর্তই নতুন আঁচড় ফেলছে মগজে। সময়ই বলে দেবে কোনটা গাঢ়, আর কোনটা ম্লান হয়ে যাবে। এই সময়ে ভালোবাসার প্রতিটি স্পর্শই গভীরে জমিয়ে রাখতে চাই। ইচ্ছা করেই ভুলে যেতে চাই বেদনার নাম।