চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২০     আপডেট: ০৭ জুন ২০২০

টেলিটকের সেবা উন্নত হোক

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন মোবাইল ফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টেলিটক ফোরজিভিত্তিক সেবা চালু করলেও দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে টুজি সেবাও নিশ্চিত করতে পারেনি। ফলে টেলিটক সাশ্রয়ী রেটে ডাটা সুবিধা দিলেও দুর্বল নেটওয়ার্কের কারণে তার সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। ব্যবহারকারীর দিক থেকে বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহৎ মোবাইল ফোন অপারেটর টেলিটক, যার গ্রাহক সংখ্যা ৪৮ লাখ ৬৮ হাজার। এই বিপুল সংখ্যক গ্রাহকের বড় অংশই অবস্থান করে গ্রামাঞ্চলে। তাদের ভোগান্তি লাঘবে সর্বত্র ফোরজি নিশ্চিত করতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

মাহমুদুল হাসান কবীর
শিক্ষার্থী, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া

ধূমপানে বিষপান

ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ধূমপানে স্ট্রোক হয়, ক্যান্সার হয়- এই কথাগুলো প্যাকেটের গায়ে লেখা থাকে। তবে ধূমপায়ীরা এই কথাগুলো বিশ্বাস করেন না। কারণ প্যাকেটের গায়ের লেখা বা ছবি দেখে কেউ ধূমপান ছেড়ে দিয়েছেন এরকম কোনো নজির নেই। বরং দিন দিন ধূমপায়ীর সংখ্যা বাড়ছে। আশঙ্কার কথা হলো তরুণদের অধিকাংশই ধূমপানে আসক্ত হচ্ছে। অনেকেই ধূমপানের মাধ্যমে অন্যান্য মাদকের সঙ্গেও সম্পৃক্ত হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে জাতি গভীর সংকটে পড়বে। ধূমপান রোধে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারকে কঠোর পন্থা অবলম্বন করতে হবে।

মো. আজিনুর রহমান লিমন
ডিমলা, নীলফামারী

ওষুধের গায়ে দাম লেখা থাকুক

অন্যান্য পণ্যের মতো ওষুধের দাম সম্পর্কে মানুষের সুস্পষ্ট ধারণা থাকে না। বাংলাদেশে এখনও ওষুধের দাম প্রতি পাতায় (ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের ক্ষেত্রে) লেখা থাকে না। লেখা থাকে ৫ পাতা বা ১০ পাতার একটি বাক্সে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগীদের পাতা ও নির্দিষ্ট সংখ্যার ওষুধ কিনতে হয়। যার কারণে প্যাকেটের গায়ে দাম ও মেয়াদ দেখার সুযোগ পান না ক্রেতারা। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে দাম বৃদ্ধি ও মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। জনস্বাস্থ্য রক্ষায় জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বাজার নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনাসহ মেয়াদোত্তীর্ণ ও বেশি দামে ওষুধ বিক্রি বন্ধে ব্যবস্থা নিন।

মো. সাইমুন
শিক্ষার্থী, সরকারি কমার্স কলেজ, চট্টগ্রাম