চিঠিপত্র

প্রকাশ: ১০ অক্টোবর ২০১৯      

সাঘাটা উপজেলায় সড়ক চাই

গাইবান্ধা জেলার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ী বাজার থেকে শুরু করে সাঘাটা সদর পর্যন্ত ওয়াপদা বাঁধ নামে পরিচিত রাস্তাটির প্রায় সাত কিলোমিটার খুবই খারাপ। রোগীদের হাসপাতালে নিতে খুব ভোগান্তি পোহাতে হয়। হেঁটে চলতেও সমস্যা। বড় বড় যানবাহন চলাচল করতে পারছে না। জুমারবাড়ী ইউনিয়নবাসীর প্রত্যাশা, জুমারবাড়ী বাজার থেকে সাঘাটা উপজেলা পর্যন্ত দুই লেনের রাস্তা নির্মাণ করা হোক।

মোহাম্মদ শামীম মিয়া
সাঘাটা, গাইবান্ধা

সর্বজনীন বীমা প্রয়োজন

একটি কোম্পানিতে যদি কর্মরত অফিসার ও শ্রমিকদের জন্য বীমা করা থাকে, তাহলে এটা কোম্পানির লাভ হয়। কারণ কর্মচারীরা এতে প্রেষণা পেয়ে থাকে। বাংলাদেশে অনেক বীমা কোম্পানি কাজ করছে। আমরা যারা সাধারণ মানুষ, তাদের অনেকে মনে করি, বীমা কোম্পানিগুলো মৃত ব্যক্তির পরিবারকে বীমার টাকা ঠিকভাবে পরিশোধ করে না। তাই বীমা কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ জানাব, যদি আইনের বাধ্যবাধকতা না থাকে, তাহলে প্রতিবছর আপনারা জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকার মাধ্যমে কতজন বীমাগ্রহীতার টাকা পরিশোধ করেছেন, তা প্রচার করুন। বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের অল্প বেতনের কর্মচারী, ড্রাইভার, ছোট ব্যবসায়ের মালিক, দিনমজুর, বলতে গেলে সাধারণ পরিবারের একজন অভিভাবকের মৃত্যুর পর পরিবারে যেন অন্ধকারের কালো ছায়া নেমে না আসে, তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থার মাধ্যমে সবাইকে বীমার আওতায় নিয়ে আসা যায় কি-না সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

রূপম চক্রবর্ত্তী
পূর্ব নলুয়া, সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম

অপরাধীর কঠোর শাস্তি হোক

দেশের পক্ষে একটি সাধারণ ফেসবুক স্ট্যাটাসের কারণে মেধাবী বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। প্রতিবাদ-বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে শিক্ষার্থীরা। তরতাজা একটি প্রাণ নেওয়ায় খুনিদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি আজ সর্বত্র। কেন বারবার এমন খুনের ঘটনা ঘটছে? কেন সন্তানহারা মায়ের বিলাপ, বাবার আহাজারি দেখতে হবে? দেশের নানা প্রান্ত থেকে গরিব ও ধনী সবার সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজে পড়তে যায়। স্বপ্ন থাকে, উচ্চশিক্ষা শেষে সারাজীবন আগলে রাখা বাবা-মা ও ভাইবোনের কষ্টের দিন শেষ করবে; তাদের একটি উন্নত জীবন দেবে। আর একজন শিক্ষার্থীর প্রাণও যেন ঝরে না যায়, সে জন্য অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

কাজী আবু মোহাম্মদ খালেদ নিজাম, চট্টগ্রাম