চিঠিপত্র

প্রকাশ: ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা চাই

আমি একজন আশির কাছাকাছি বৃদ্ধ। জরুরি প্রয়োজনে মাঝেমধ্যে বিভিন্ন ডাক্তারখানা, হাসপাতাল, ব্যাংক, সরকারি অফিস, ভিসা অফিসে প্রাইভেট গাড়িতে যাওয়া-আসা করতে হয়। যেখানে গাড়ি পার্কিং থাকে, সেখানে ৩০, ৪০, ৫০ টাকা দিয়ে গাড়ি পার্কিংয়ে রাখা হয়। যেখানে রাস্তা ছাড়া অন্য কোনো উপায় থাকে না, সেখানে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর-সার্জেন্ট একটু পরে এসেই ৫০০, ৬০০, ১২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করে থাকেন। মাঝেমধ্যে নগদ অথবা ক্রেডিট সিস্টেমে এই জরিমানা আদায় করা হয়। রেকারিং সিস্টেমে নগদই আদায় করা হয় এবং সেখানে কারণ হিসেবে সচল গাড়িকেও বিকল দেখানো হয়। এসব জরিমানা বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ বা জরুরি প্রয়োজন বলতে কোনো কিছুকেই গ্রাহ্য করা হয় না। আমি নিজে ছয়বার এই জরিমানার শিকার হয়েছি। এ বিষয়ে সংশ্নিষ্ট সব পক্ষকে সহানুভূতি ও সহনশীল আচরণের নির্দেশদানে অনেকেই উপকৃত হবে। একই সঙ্গে সর্বত্র গাড়ি পার্কিং ব্যবস্থা বিবেচনা করা প্রয়োজন।

আজিজুল হক, খিলগাঁও, ঢাকা

নাটকের মান উন্নয়ন হোক


আমরা বিনোদনের জন্য নাটক, ছবি, টেলিফিল্ম ইত্যাদি দেখে থাকি। কিন্তু আমি একটি বিষয় লক্ষ্য করছি, আমাদের দেশের পরিচালকদের নাটক, ছবি, টেলিফিল্ম সবকিছু প্রেম ভালোবাসার বাক্সে বন্দি হয়ে গেছে। আমার কাছে মনে হয়, তারা শুধু প্রেম-ভালোবাসা নিয়েই চিন্তাভাবনা করেন। এর বাইরে বের হতে পারেন না। আমরা কয়েক বছর আগেও দেখেছি, পরিচালকরা কত সুন্দরভাবে মানুষের সমাজ জীবনকে তাদের কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাদের প্রত্যেকের চিন্তাভাবনার মধ্যে বৈচিত্র্য ছিল, যার ফলে দর্শকরাও বিনোদন পেত। কিন্তু এখনকার পরিচালকদের সবার মূল প্রায় এক হওয়ায় দর্শকরাও বিনোদন পাচ্ছেন না এবং আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। এসব কারণে তারা ঝুঁকে পড়ছেন বিদেশি নাটক, সিরিয়াল ও ছবির দিকে। আমাদের দেশি সংস্কৃতি থেকে মানুষ দূরে সরে যাচ্ছে। তাই পরিচালকদের দৃষ্টি আকষণ করে বলতে চাই, আপনারা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা, অসঙ্গতি, জীবনের গল্প তুলে এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটিয়ে দেশজ সংস্কৃতিকে রক্ষা করুন।

মো. ইমরান হোসাইন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়