ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো রুখতে ফেসবুকের নয়া উদ্যোগ

প্রকাশ: ২৭ জুন ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানো রুখতে নয়া উদ্যোগ নিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। টুইটারের ধাঁচেই এবার থেকে ট্যাগ বসিয়ে সতর্ক করা হবে ফেসবুকে। 

শুক্রবার এমনটাই জানালেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ ।

বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে ক্রমেই সোচ্চার হচ্ছে বিশ্ব। ‘ব্ল্যাক লাইফ ম্যাটারস’ (Black life matters) স্লোগানে এই প্রতিবাদের উত্থান আমেরিকাতে হলেও আজ তা বিশ্বের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। কালো আর ধলোর উর্দ্ধেও যে মানুষের পরিচয় তা জানাতেই শিক্ষিত সমাজকে আজ প্রতিবাদ জানাতে হচ্ছে। ফলে চাপের মুখে পড়ে একাধিক বড় সংস্থা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তাদের বিজ্ঞাপন সরিয়ে নিচ্ছে। ইতিমধ্যেই কিছু নামী সংস্থা তাদের পণ্যের নামও পরিবর্তন করে ফেলছেন। তাই কোনও ঘৃণ্য পোস্ট যাতে না ছড়ায় এবার সেই উদ্যোগই নিলেন ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ। শুক্রবার জাকারবার্গ জানিয়েছেন যে, পাঠযোগ্য পোস্টও যদি তা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মের নিয়ম ভাঙে তাহলে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করা হবে। তার জন্য বিশেষ কিছু ট্যাগ ব্যবহার করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘বর্ণবাদ, জাতিবাদ, সাম্প্রদায়িক, শারীরিক বা যৌন হেনস্থামূলক, লিঙ্গ বৈষম্যমূলক বিষয়বস্তু রয়েছে এমন যেকোনও কিছু রুখতে নতুন এই পদ্ধতি কার্যকর করা হবে। এমনকি উদ্বাস্তুদেরও যাতে কোনও রকমের ঘৃণার শিকার না হতে হয় সে ব্যাপারেও ফেসবুক নিজস্ব ভূমিকা পালন করবে।’ 

জাকারবার্গের ভাষ্য, ‘প্রতি বছর কোটি কোটি টাকা খরচ করা হয় এই ধরনের স্পর্শকাতর বিষয়গুলিকে রুখতে। এই নীতি পর্যালোচনা করে নতুন আর কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে ব্যাপারে বিশেষজ্ঞরাও পরামর্শ দিচ্ছেন। সেই অনুযায়ী ঘৃনা ছড়ানো পোস্টগুলিতে নতুন ট্যাগ বসিয়ে লেবেল করার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।’

এই নতুন নিয়মে, ফেসবুক ব্যবহারকারীরা কোনও কিছু পোস্ট করতে পারবেন। কিন্তু শেয়ার করার সময় তাঁদের জানান দেওয়া হবে যে, তার পোস্ট করা ছবি, টেক্সট বা ভিডিওতে ফেসবুকের নিয়ম লঙ্ঘন করার শব্দ, বাক্য ও বিষয়বস্তু রয়েছ। সেক্ষেত্রে বিশেষ কিছু ট্যাগ ব্যবহার করা হবে যা দিয়ে এই ধরনের পোস্ট চিহ্নিত করা হবে। তবে বাকিরা সেই পোস্ট দেখতে পারবেন। টুইটারের ধাঁচে তা মুছে দেওয়া হবে না।

বিষয় : ফেসবুক