পরিধানযোগ্য চেয়ার!
আসন নেই, তবুও চেয়ার। সহজে বহনযোগ্য ও পরিধানযোগ্য এমন চেয়ার তৈরি করেছে জার্মান প্রতিষ্ঠান নুনি। পোশাকের মতোই বিশেষায়িত এ চেয়ার পরে হাঁটাহাঁটি কিংবা ঘোরাঘুরি করা যাবে। এটির নাম দেওয়া হয়েছে চেয়ারলেস চেয়ার ২.০। চেয়ারলেস চেয়ার তথা আসনবিহীন এ চেয়ার পরে হাঁটাচলার পর হাঁটু ভাঁজ করে বসার ভঙ্গি করলেই এটি এমন অবস্থানে যাবে যাতে সহজেই ব্যবহারকারী তাতে বসতে পারে। ব্যবহারকারী সুবিধামতো পজিশনে বাঁকিয়ে চেয়ারটিতে আরাম করে বসতে পারবেন। সহজে বহন করার জন্য এটি মূলত শোরুম থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে কাজ করতে হয় তাদের কথা মাথায় রেখেই এ চেয়ার বানিয়েছে কোম্পানিটি। চলতি মাসের শেষের দিক হ্যানোভারের একটি বাণিজ্যিক প্রদর্শনীতে এ চেয়ার দেখানো হবে। আর তখনই দামসহ বিস্তারিত জানাবে কোম্পানিটি।


মস্তিস্কসদৃশ চিপ
যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ার একদল গবেষক নতুন ধরনের চিপ উদ্ভাবন করেছেন। গবেষকদের দাবি, নতুন প্রজন্মের এ অপটিক্যাল চিপ সেকেন্ডে ২০০ কোটি ছবি প্রসেস করতে পারবে। এ চিপ নিউরাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কাজ করে। ফলে মেমোরির মতো প্রচলিত কম্পিউটার চিপগুলোকে ধীর করে দেয় এমন উপাদানের প্রয়োজন ছাড়াই ডেটাকে আলোক হিসেবে রূপান্তর করে। প্রচলিত চিপের বৈদ্যুতিক সংকেতের পরিবর্তে এটি আলোর আকারে তথ্য প্রক্রিয়া করে। নতুন চিপের ভিত্তি হচ্ছে নিউরাল নেটওয়ার্ক। মস্তিস্ক যেভাবে তথ্য প্রক্রিয়া করে, নিউরাল নেটওয়ার্কও একইভাবে কাজ করে। এ নেটওয়ার্কগুলো নোড দিয়ে গঠিত যা নিউরনের মতো আন্তঃসংযোগ স্থাপন করে, এমনকি জৈব মস্তিস্কের মতো স্বয়ংক্রিয়ভাবে শিখতেও পারে। নেচার জার্নালে গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে।

বিষয় : পরিধানযোগ্য চেয়ার

মন্তব্য করুন