জিম্বাবুয়ে সিরিজের আগে টানা পাঁচ ওয়ানডে সিরিজ জিতেছে বাংলাদেশ। দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়ে প্রথমবারের মতো সিরিজ জিতে তামিমের দল। তারপর ওয়েস্ট ইন্ডিজে গিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জয়। সেই দলটা জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এভাবে নাস্তানাবুদ হবে ভাবতে পারেননি অনেকেই। অথচ সিরিজ শুরুর আগে বাংলাদেশের সম্ভাবনা ছিল ৩-০তে জিতবে তারা। বাংলাদেশের জন্য যেটি ছিল সম্ভাবনা, সেটিই এখন রূপ নিয়েছে চরম শঙ্কায়। হোয়াইটওয়াশ করা নয়, বরং ২১ বছর পর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার মুখে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশ অবশ্য শেষ ম্যাচটি জিততে মরিয়া। অন্তত বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ডের কথাতে সেটি স্পষ্ট। ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, 'কঠিন শিক্ষা পাওয়ার পর যেমন হয়, দলের অবস্থা তেমনই। আমরা অনেক সুযোগ হাতছাড়া করেছি। কিছু ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিছু বাজে সিদ্ধান্তও। আজ (মঙ্গলবার) সকালে আমরা এ নিয়ে কথা বলেছি। আমরা এই দলের ঘুরে দাঁড়ানোর সামর্থ্য নিয়ে কথা বলেছি। সিরিজ হেরেছি, কিন্তু আত্মবিশ্বাস পাওয়ার জন্য জিততে হবে।'

খর্ব শক্তির জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কেন এমন হলো? এমন ব্যর্থতার উত্তর জানা নেই বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ অ্যালান ডোনাল্ডের কাছেও। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ডোনাল্ড জানান, 'জিম্বাবুয়ে খুব ভালো খেলেছে। রাজা অবিশ্বাস্য ক্রিকেট খেলেছে। চাকাভা দেখিয়েছে তার সামর্থ্য। ওরা আমাদের চাপে ফেলেছে। আমাদের কাছে এর কোনো উত্তর ছিল না। এটা ড্রেসিংরুমে বসে দেখা কঠিন। কারণ, আপনি কিছু করতে পারবেন না। সিদ্ধান্ত নেওয়াটা ক্রিকেটারদের কাজ।'

সামনেই বড় দুই টুর্নামেন্ট। আগস্টের শেষ সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাতে শুরু হচ্ছে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের এশিয়া কাপ। তারপর অস্ট্রেলিয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। দুই দেশের পিচও এমন ব্যাটিং সহায়ক থাকতে পারে। ডোনাল্ডের সব মনোযোগ সেদিকেই।

তিনি বলেছেন, 'টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে উইকেটগুলো ঠিক এমনই হবে। অস্ট্রেলিয়ার উইকেট সব সময় ভালো। এশিয়া কাপ দুবাইয়ে। সেখানেও কন্ডিশন এমনই থাকবে। আমি জানি সেটা টি-টোয়েন্টি। এটা ওয়ানডে। তবে হ্যাঁ, সেখানে উইকেট ভালো থাকবে।'