এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী মাবিয়া আক্তার সীমান্ত সাফল্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসেও স্বর্ণ জিতেছেন এই ভারোত্তোলক। গড়েছেন নতুন রেকর্ডও।

ময়মনসিংহের জিমনেশিয়ামে মেয়েদের ৬৪ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ৮০ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০১ কেজি মিলিয়ে ১৮১ কেজি তুলে রেকর্ড গড়েন বাংলাদেশ আনসারের মাবিয়া। ২০১৮ সালে আন্তঃসার্ভিস ভারোত্তলনে ১৭৯ কেজি তুলে আগের রেকর্ডটি গড়েছিলেন তিনি।

এ ইভেন্টে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লিমা আক্তার স্ন্যাচে ৫৯ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ৭৩ কেজিসহ মোট ১৩২ কেজি তুলে রুপা এবং সিপাহীবাগ যুব সংঘের লাবনী আক্তার স্ন্যাচে ৫৬ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ৬০ কেজি মিলিয়ে ১১৬ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।

নেপালের কাঠমাণ্ডু-পোখারার দক্ষিণ এশিয়ান গেমসে মেয়েদের ৭৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ৮০ কেজি এবং ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০৫ কেজি মিলে মোট ১৮৫ কেজি ওজন তুলে সোনা জিতেছিলেন মাবিয়া।

বুধবার নারীদের ৭১ কেজি ওজন শ্রেণিতে সেনাবাহিনীর ফারজানা আক্তার রিয়া স্ন্যাচে ৬০ কেজি তোলার পর ক্লিন এন্ড জার্কে ৭৮ কেজি তোলেন। সবমিলে ১৩৮ কেজি তুলে সেরা এই ভারোত্তোলক। এ ইভেন্টে আনসারের লামিয়া আক্তার স্ন্যাচে ৫৫ কেজি ও ক্লিন এন্ড জার্কে ৭৪ কেজি মিলিয়ে ১২৯ কেজি তুলে রুপা ও বাংলাদেশ জেলের চায়না খাতুন স্ন্যাচে ৫২, ক্লিন এন্ড জার্কে ৬৩, মোট ১১৫ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।

ছেলেদের ৮১ কেজি ওজন বিভাগে সুমন চন্দ্র রায় ২৬০ কেজি তুলে সোনা জিতেছেন; স্ন্যাচে ১১৩, ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১৪৭ কেজি তোলেন বাংলাদেশ আনসারের এই ভারোত্তোলক। এ ইভেন্টে ২৫৮ কেজি তুলে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর মনোরঞ্জন রায় রুপা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) দূর্জয় হাজং স্ন্যাচে ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক মিলিয়ে ২৪০ কেজি তুলে ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।