সেঞ্চুরিয়ান, জোহানেসবার্গ ঘুরে গল। মাঠ বদলেছে, কন্ডিশন বদলেছে, বদলেছে প্রতিপক্ষ। পরিবর্তন আসেনি কেবল শ্রীলংকার ব্যাটিংয়ের চরিত্রে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে চার ইনিংসের তিনটিতেই ব্যাটিংয়ে ব্যর্থ হয় সফরকারী শ্রীলংকা। হারে বড় ব্যবধানে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘরের মাঠে শুরুর টেস্টে প্রথম ইনিংসেও ধ্বসে গেছে তারা। প্রথমদিন শেষে গল টেস্টে তাই বড় লিডের অপেক্ষায় ইংলিশরা।

টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক দিনেশ চান্ডিমালের দল অলআউট হয়েছে মাত্র ১৩৫ রান করে। প্রথম ইনিংসে মিকি আর্থারের শিষ্যরা ব্যাট করতে পেরেছে মাত্র ৪৬.১ ওভার। জবাবে প্রথম ইনিংসে নেমে দিন শেষে ২ উইকেটে ১২৭ রান তুলে ফেলেছে সফরকারীরা। পিছিয়ে আছে মাত্র ৮ রানে।

নিয়মিত অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নের জায়গায় শুরুতে ব্যাট করতে নেমে লাহিরু থিরিমান্নে মাত্র ৪ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর তিনে নেমে শূন্য রানে স্টুয়ার্ড ব্রডের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন কুশল মেন্ডিস। টানা চার ইনিংসে ডাক মারার বাজে এক রেকর্ডের অংশ হন। দলকে ভরসা দিতে পারেননি অন্য ওপেনার কুশল পেরেরাও। তিনি ২০ করে আউট হন।

এরপর দলের হাল ধরার আভাস দেন অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান অ্যাঞ্জেল ম্যাথুস এবং অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল। কিন্তু আশা দেখানো সেই জুটি বেশিদূর এগোয়নি। ৫৬ রানে থামে ম্যাথুসের আউটের মধ্য দিয়ে। দলের রান তখন ৪ উইকেট ৮১। ম্যাথুস দলের পক্ষে করেন ২৭ রান।

এরপর স্কোরবোর্ডে কোন রান যোগ না হতেই ফিরে যান অধিনায়ক চান্দিমাল। তিনি খেলেন ২৮ রানের ইনিংস। পরে নিরোশান ডিকওয়েলা, দাশুন শানাকারা বেশি দূর এগোতে পারেনিন। ডিকওয়েলা করেন ১২ রান। শানাকার ব্যাট থেকে আসে ২৩। দেড়শ' রান করার আগেই তাই থামে লংকানরা।

জবাব দিতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারালেও তিনে নামা জনি বেয়ারস্টো এবং চারে নামা অধিনায়ক জো রুট দলের রানের ভিত্তি গড়ে দিন শেষ করেন। রুট দ্বিতীয় দিন শুরু করবেন ৬৬ রানে। তার সঙ্গী বেয়ারস্টো নামবেন ৪৭ রান নিয়ে। এর আগে লাসিথ এমবুলডেনিয়ার বলে যথাক্রমে ৯ ও ৪ রান করে ফিরে যান দুই ইংলিশ ওপেনার জ্যাক চার্লি এবং ডমিনিক সিবলি। ইংল্যান্ডের হয়ে পেসার ব্রড ৩টি এবং স্পিনার ডম বেস নেন ৫ উইকেট।