বড় জয়ে নিখুঁত সিরিজ সমাপ্তি

প্রকাশ: ১১ মার্চ ২০২০     আপডেট: ১১ মার্চ ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

ছবি: বিসিবি

ছবি: বিসিবি

তামিম ইকবাল এবং লিটন দাস ওয়ানডে সিরিজে ভক্তদের চোখে লেগে থাকার মতো ব্যাটিং করেছেন। টি-২০ সিরিজের শুরুর ম্যাচে দু'জন দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। শেষ ম্যাচে তাই লিটন-নাঈমের ওপেনিংকে শুরুতে অনেকে পানসে ধরে নিতে পারেন। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে দুর্দান্ত অভিষেক হওয়া নাঈম শেখও সিরিজের শেষ ম্যাচটায় সুযোগ পেয়ে দারুণ শুরু করেন।

লিটনের সঙ্গে দারুণ জুটি গড়ে জয়ের ভিত্তি তৈরি করে দেন। সেই ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে ২৫ বল হাতে রেখে ৯ উইকেটের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। সঙ্গে দুই ম্যাচের টি-২০ সিরিজে সফরকারীদের ধবলধোলাই করেছে বাংলাদেশ। এর আগে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের একমাত্র টেস্টে জিম্বাবুয়েকে বড় ব্যবধানে হারায় স্বাগতিকরা। এরপর মাশরাফির নেতৃত্বের শেষ ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে বাংলাদেশ প্রথমবার দ্বিপাক্ষিক সিরিজে তিন ফরম্যাটে প্রতিপক্ষকে ধবলধোলাই করে পার করল নিখুঁত এক সিরিজ।

টস জিতে এ ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে পাঠায় বাংলাদেশ। কিন্তু টাইগার পেসার কিংবা স্পিনারদের সামনে সুবিধা করতে পারেনি তারা। জিম্বাবুয়ের দুই অভিজ্ঞ এবং সেরা ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেইলর ও ক্রেগ আরভিন সেট হয়েও তেমন বড় রান করতে পারেননি। ওপেনার ব্রেন্ডন টেইলর ৪৮ বলে খেলেন ৫৯ রানের ইনিংস। এছাড়া ক্রেগ আরভিন করেন ৩৩ বলে ২৯ রান। তাদের ব্যাটে ভর করে ৭ উইকেটে ১১৯ রান তোলে সফরকারীরা।

জবাবে বাংলাদেশ ১৫.৫ ওভারে লক্ষ্যে পৌছে যায়। ওয়ানডে সিরিজের দুর্দান্ত দুই সেঞ্চুরি করা লিটন দাস টি-২০ সিরিজে তুলে নেন দুই ফিফটি। সিরিজের শেষ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ৪৫ বলে ৬০ রানের ইনিংস। আটটি চারের মার দেখান তিনি। দারুণ দুই ফিফটি পাওয়ায় সিরিজ সেরার পুরস্কারও জেতেন। এর আগে ওয়ানডে সিরিজে যৌথভাবে সিরিজ সেরা হন লিটন। তার সঙ্গে ওপেন করতে নামা নাঈম শেখ ৩৪ বলে তিন চারে ৩৩ রান করে আউট হন। ওপেনিংয়ে তিনি লিটনের সঙ্গে যোগ করেন ৭৭ রান। শেষটায় ১৬ বলে দুই ছক্কায় ২০ রান করেন সৌম্য সরকার।

বাংলাদেশ দলের হয়ে পেসার মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ওভারে ২৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। তার আগে আল আমিন হোসেন দারুণ নিয়ন্ত্রিত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ২২ রান খরচা করে জিম্বাবুয়ের দুই মূল্যবান উইকেট কামুনহুমাকে ও মুতুমবামিকে ফেরান। সাইফউদ্দিন তুলে নেন ১ উইকেট। তিনি ৪ ওভারে খরচা করেন ৩০ রান। এছাড়া স্পিনার মাহেদি হাসান ও আফিফ হোসেন একটি করে উইকেট নেন। অভিষিক্ত হাসান মাহমুদ কোন উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে দেন ২৫ রান।