বাফুফেতে ডেঙ্গু আতঙ্ক

প্রকাশ: ২২ আগস্ট ২০১৯      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ছবি: ফাইল

আতঙ্কের নাম ডেঙ্গু জ্বর। সারাদেশে এই রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ডেঙ্গু রোগী এতটাই বেশি যে হাসপাতালেও জায়গা হচ্ছে না। মারা গেছেন একশ'রও বেশি মানুষ। ডেঙ্গুর প্রভাব পড়েছে ক্রীড়াঙ্গনেও। ডিসেম্বরে নেপালে অনুষ্ঠেয় এসএ গেমসের ক্যাম্পে ১০ জনেরও বেশি নারী অ্যাথলেট ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। অনেককে ভর্তি হতে হয়েছিল হাসপাতালে।

যারা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাদের ছুটি বাড়ায় বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ)। সেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত এবার বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে থাকা কিছু কিশোরী ফুটবলারও। বাফুফে ভবনের দায়িত্ব পালনকারী পাঁচ নিরাপত্তাকর্মীও ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন কয়েকজন। রাজিয়া, নওশীন, মুন্নীরা ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এখন অনেকটাই সুস্থ। কিন্তু আতঙ্ক কাটছে না আবাসিক ক্যাম্পে থাকা নারী ফুটবলারদের মধ্যে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বাফুফে ভবনের নিচতলায় আবর্জনা জমে আছে। বৃষ্টি হলে সেখানে পানি জমে। নারী ফুটবলাররা যেখানে অনুশীলন করেন, সেই টার্ফেও বৃষ্টির পানি জমে থাকে। পানি জমে থাকায় সেখানে ডেঙ্গু মশার জন্ম হয়। তাতে আক্রান্ত হচ্ছেন ফেডারেশনে থাকা নারী ফুটবলার ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত কর্মকর্তারা। ঈদের পরে ক্যাম্পে যোগ দেওয়ার পর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন মুন্নী। কয়েক মাস আগে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে ফুটবলার সাজেদা ও মারজিয়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

তবে এখন তারা সম্পূর্ণ সুস্থ। বাফুফের ফিজিক্যাল ফিটনেস টেস্টেও তারা পাস করেছেন। তবে আরও তিন ফুটবলারের ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের কোচ গোলাম রব্বানীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, 'রাজিয়া ও নওশীন জাহান ঈদের ছুটিতে বাড়ি গিয়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিল। তবে এরই মধ্যে তারা সুস্থ হয়ে গেছে। তবে মুন্নী সম্ভবত বাফুফে ভবনে থেকেই ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়। দুই দিন হলো সেও সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছে।'

ডেঙ্গু নিয়ে বাফুফের পরিবেশ-পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ছোটন বলেন, 'আমরা বাফুফের ক্যাম্পে এ নিয়ে খুবই সচেতন ও সতর্ক থাকি। প্রতিদিন মশা মারার ওষুধ ছিটানো হয়, সবকিছু পরিস্কার করা হয়, নিয়মিত মশারি টানানো হয়। সকাল থেকেই এসব কার্যক্রম শুরু হয়।'

বিষয় : খেলা ফুটবল বাংলাদেশ ডেঙ্গু বাফুফে