এতো সাংবাদিক আগে দেখেননি ডমিঙ্গো

প্রকাশ: ২১ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ২১ আগস্ট ২০১৯      

ক্রীড়া প্রতিবেদক

ছবি: বিসিবি

বাংলাদেশের কোচ হিসেবে রাসেল ডমিঙ্গো ঢাকায় পৌছেছেন মঙ্গলবার বিকেলে। উঠেছেন গুলশানের পাঁচ তারকা এক হোটেলে। বুধবার দলের সঙ্গে যোগ দিতে হবে, সংবাদ সম্মেলন আছে জানতেন ডমিঙ্গো। সেভাবেই হাতে সময় নিয়ে বের হয়েছিলেন। আসার পথে যানজট না দেখে অবাক হয়েছেন এই দক্ষিণ আফ্রিাকান। সময় লেগেছে মাত্র ২০ মিনিট। ডমিঙ্গো তাই বলেই ফেললেন, পত্যাশার বেশ আগেই পৌছে গেছি।

পথে দেরি না হওয়ায় ভালোই হয়েছে বলে জানান দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কোচ। কিছু ক্রিকেটারের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন। বিসিবি'র অন্য স্টাফদের সঙ্গে আলাপ করা গেছে। এরপর দলের অনুশীলন ক্যাম্পে যোগ দিয়ে ভালো লাগার কথাও উল্লেখ করেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না খেলা এই কোচ।

ডমিঙ্গো বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পথেই বাংলাদেশের ক্রিকেট সংস্কৃতি সম্পর্কে জেনে গেছেন। এর আগে সমকালের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলার সময় তাকে জানানো হয়, বাংলাদেশের মিডিয়া সব সময়ই ক্রিকেট দলকে অনুসরণ করে। ডমিঙ্গো উত্তরে বলেন, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যমকে সঙ্গে নিয়েই দলকে এগিয়ে নেওয়ার কাজ করবেন। মিডিয়ার সহায়তা ছাড়া এখন বিশ্বে কিছুই হয়না বলে জানান তিনি।

বিমানবন্দরে নেমে শতাধিক সাংবাদিক দেখেই কথার সঙ্গে মিলিয়ে নিলেন কোচ। বাংলাদেশের ক্রিকেট আবেগ নিয়েও পেয়ে যান ভালো ধারণা। সংবাদ সম্মেলন কক্ষে ডমিঙ্গো তাই বলেন, 'এখানে এসেই আমার বড় এক আবিষ্কার হলো বাংলাদেশের মানুষের ক্রিকেট আবেগ। দক্ষিণ আফ্রিকায় বড় ম্যাচের আগে আট-নয়জনের বেশি সাংবাদিক পাওয়া যায় না। আমার জীবনে এতোবেশি সাংবাদিক একসঙ্গে দেখিনি। গতকাল (মঙ্গলবার) বিমানবন্দরেও প্রায় একশ' সাংবাদিক ছিলেন।'

বাংলাদেশ দলের বোলিং কোচ চার্ল ল্যাঙ্গাভেল্ট তার আফগানিস্তান দলের সঙ্গে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন, ভারতীয় উপমহাদেশ মানেই এখানকার মানুষের ক্রিকেট নিয়ে বাড়তি একটা আবেগ। যা দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া যাবে না। আফগানদের ক্রিকেট আবেগ হুট করে ধাক্কার মতো লাগবে। ভক্তরা, ক্রিকেটাররা ক্রিকেট বলতেই পাগল। আমাদের এই প্যাশনের সঙ্গেও মানিয়ে চলতে হবে।'

ক্রিকেট সংস্কৃতি-আবেগ দেশে-দেশে ভিন্ন হতে পারে। তবে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া দুই দক্ষিণ আফ্রিকান কোচের মতে, সব দেশেই একটা জায়গায় মিল আছে। সব দেশের মানুষই জিততে চায়। হেরে গেলে শুধু বাংলাদেশের মানুষ নয় দক্ষিণ আফ্রিকার ভক্তরাও কঠোর আচরণ করে বলে উল্লেখ করেন ডমিঙ্গো। দলকে ভক্তদের ওই হইহুল্লোড় থেকে দূরে রাখাও কোচের কাজ বলে জানান বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ ডমিঙ্গো।