পশুবাহী ট্রাকে চাঁদাবাজি রুখতে গতকাল বুধবার থেকে রংপুরসহ বিভিন্ন জেলা পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। এর আগে মঙ্গলবার সমকালে 'পথে পথে চাঁদাবাজ, পশুহাটে লাঠিয়াল' শিরোনামে সংবাদ প্রকাশ হয়। দিনভর প্রতিবেদনটি ছিল আলোচনায়। নড়েচড়ে বসে পুলিশ। চাঁদাবাজদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

রংপুর জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল-এ/বি) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, বদরগঞ্জ সড়কটি একটু নিরিবিলি। এ কারণে ওই সড়কে চাঁদাবাজরা সুযোগ নিতে পারে। সমকালে সংবাদ প্রকাশ হওয়ার পর থেকে সেখানে সাদা পোশাকে পুলিশ রাখা হয়েছে। সড়কে কেউ এ ধরনের তৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলেই গ্রেপ্তার করা হবে। তিনি বলেন, এসব চাঁদাবাজ ধরতে এর আগেও অভিযান চালানো হয়েছিল। তার পরও তারা কীভাবে বের হচ্ছে, বোঝা যাচ্ছে না।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইন্সপেক্টর নুরুন নবি বলেন, কৌশল নেওয়ার কারণে ছদ্মবেশী চাঁদাবাজদের ধরা যাচ্ছে না। তবে আমি নিশ্চিত করে বলছি, এসব ঘটনার সঙ্গে পুলিশের সম্পৃক্ততা নেই। তারপরও অভিযান চলছে।

বগুড়া সদর থানার ওসি সেলিম রেজা বলেন, মহাসড়কে থাকে হাইওয়ে পুলিশ। তার পরও চাঁদাবাজ ধরতে আমরা অভিযান চালাচ্ছি। রাতে কোনোভাবেই কোনো গাড়ি থেকে চাঁদা তুলতে দেওয়া হবে না। এ ব্যাপারে বগুড়া জেলা পুলিশ জিরো টলারেন্সে থাকবে।

সিরাজগঞ্জের ট্রাফিক পুলিশের ইনচার্জ সালেক উদ্দিন বলেন, মহাসড়কে জেলা পুলিশের কোনো সদস্য রাতে থাকে না। রাতে থাকে হাইওয়ে পুলিশ। তার পরও নির্দেশনা মতো আমরা মহাসড়কের প্রতিটি পয়েন্টে অভিযান চালাচ্ছি।

হাইওয়ে পশ্চিমাঞ্চল পুলিশের সুপার মুন্সি শাহাবুদ্দিন বলেন, প্রতিটি মহাসড়কে পুলিশের বিশেষ টিম মোতায়েন ও টহল চলছে। ঈদ পর্যন্ত এই টহল চালানো হবে। আমাদের কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ এলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে বলেছি।