কুয়েতে ১১ তম আন্তর্জাতিক কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি হাফেজ আবু রাহাত। বয়সভিত্তিক গ্রুপ অনূর্ধ্ব-১৩-তে তিনি অংশগ্রহণ করেন। 

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন কেনিয়ার হাফেজ আব্দুর রহমান মুছা আব্দুল্লাহ, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন ঘানার হাফেজ আব্দুস সামাদ আদাম, তৃতীয় স্থান অধিকার করেন বাংলাদেশের হাফেজ আবু রাহাত, চতুর্থ স্থান অধিকার করেন আলজেরিয়ার হাফেজ মুহাম্মাদ আব্দুর রউফ এবং পঞ্চম স্থান অধিকার করেন লিবিয়ার হাফেজ আব্দুর রাজ্জাক। 

গত ১২ অক্টোবর কুয়েতের সালমিয়া রেজেন্সি হোটেলে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। প্রতিযোগিতায় ১১৭টি দেশের হাফেজগণ অংশগ্রহণ করেন। তাদের মধ্যে পাঁচ জন হাফেজকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। বুধবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১০টায় ফলাফল ঘোষণা করা হয়। কুয়েতের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বিজয়ী হাফেজদের নগর অর্থ ও সম্মাননা দেওয়া হয়। 

কুয়েতের ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে বিজয়ী হাফেজদের নগর অর্থ ও সম্মাননা দেওয়া হয়। 

আজ বৃহস্পতিবার কুয়েত এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন হাফেজ আবু রাহাত। তিনি বলেন, ১৮ কোটি মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় দেশের সুনাম রক্ষা করতে পেরেছি। আপনারা আমার জন্য এবং আমার হুজুরের জন্য দোয়া করবেন। আমরা যেন কোরআনের খেদমত করে যেতে পারি।

শুভেচ্ছা জানাতে এসে কুয়েত বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রম কাউন্সিলর আবুল হোসেন বলেন, কুয়েত সরকার আয়োজিত ১১৭ দেশের মধ্যে আবু রাহাত তৃতীয় হয়েছেন। প্রতিযোগীদের মধ্যে তার কোরআন তিলাওয়াত ছিল অসাধারণ ও মনোমুগ্ধকর। তার ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক এই প্রত্যাশা।

মারকাজুত তাহফিজ ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার পরিচালক শায়েখ নেছার আহম্মদ আন নাছিরী বলেন, আপনারা অন্তত একজন সন্তানকে কোরআনে হাফেজ বানান। তারা দুনিয়া ও আখেরাত উভয় স্থানে সম্মানিত। হাফেজের মা-বাবাকে হাসরের মাঠে কোটি মানুষের সামনে মহান আল্লাহ নূরের টুপি দান করবেন।

উল্লেখ্য, কুয়েতে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতার জন্য বাংলাদেশ থেকে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে মারকাজুত তাহফিজ  ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী হাফেজ আবু রাহাত দেশের প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের অধীনে ইসলামিক ফাউন্ডেশন এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করে।