সবেমাত্র করোনার ক্ষতি পুষিয়ে চাঙ্গা হতে শুরু করেছে ইউরোপের অর্থনীতি। এমন সময় ইউরোপজুড়ে দেখা দিয়েছে নতুন আতঙ্ক মাঙ্কিপক্স। ইউরোপের অন্যতম দেশ পর্তুগালেও ছড়িয়ে মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে। ফলে আতঙ্কে আছেন পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীরা।

১৯৭০ সালে প্রথম গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোতে মাঙ্কিপক্স নামে এই সংক্রামক ভাইরাসের খোঁজ মেলে। সম্প্রতি ইউরোপ ও আমেরিকায় ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। এখন পর্যন্ত পর্তুগালে ৩৭ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পর্তুগালের জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বলছে, ২০ এপ্রিল একজন রোগীর ত্বকে ক্ষতসহ মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা দেয় কিন্তু ভাইরাসটি সম্পর্কে কোনো তথ্য না থাকা উপসর্গগুলো আমলে নেওয়া হয়নি। স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ বিশ্বাস করে যে, এটাই পর্তুগালে প্রথম সংক্রমণ।

এদিকে মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে দেখা দিয়েছে আতঙ্ক। তবে এখন পর্যন্ত কোনো বাংলাদেশি মাঙ্কিপক্স ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। প্রবাসীরা বলছেন, ‘মাঙ্কিপক্স ভাইরাস আমাদের কাছে নতুন। যে হারে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আমরা চিন্তিত। করোনাভাইরাসের মতো আবারও কোনো সংকটকালীন অহস্থার মধ্যে পড়তে হচ্ছে কিনা জানি না।’

সংক্রমণ এভাবে বাড়তে থাকলে ফের ব্যবসা বাণিজ্যে সংকট দেখা দেওয়ার ভয়ে আছেন পর্তুগালের বাংলাদেশি ব্যবসায়ী। ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘মাত্র আমরা করোনার ধাক্কা সামলিয়ে উঠেছি। এখন আবার নতুন ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংক্রমণ বাড়তে থাকলে আমরা আবারও ব্যবসায় ক্ষতিগ্রস্ত হবো।’

মাঙ্কিপক্সের সংক্রমণ রোধ করতে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। এছাড়া সংক্রমণ কমাতে স্বাস্থ্যবিধির ওপর জোর দিচ্ছে পর্তুগালের স্বাস্থ্য বিভাগ।