দক্ষিণ কোরিয়ায় ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২০      

অনলাইন ডেস্ক

অনুষ্ঠানে আগতদের কয়েকজন -সমকাল

দক্ষিণ কোরিয়ার শিল্পনগরী আনসানের আশিয়ানা রেস্টুরেন্টে গত ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগের ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ছাত্রলীগ দক্ষিণ কোরিয়া শাখার আয়োজনে সংগঠনের সাবেক নেতাদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়। 

পবিত্র কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরুর পর বক্তারা ছাত্রলীগের গৌরবময় ইতিহাস ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা করেন। 

তারা বলেন, উপনিবেশিক শাসন অবসানের পর পশ্চিম পাকিস্তানিরা প্রথমেই আমাদের মায়ের ভাষার ওপর আঘাত হানে। পূর্ব পাকিস্তানের সাধারণ মানুষ সর্বক্ষেত্রেই পশ্চিমাদের বৈষম্যের শিকার হয়। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাদের কুটকৌশল বুঝতে পেরে বাংলার সাধারণ ছাত্রদের একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির উদ্দেশে ১৯৪৮ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। যার হাত ধরে বুকের তাজা রক্ত দিয়ে ৫২-তে আমরা মাতৃভাষা প্রতিষ্ঠা করি। বঙ্গবন্ধুর বিচক্ষণ নেতৃত্বে ৫৪-তে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে জয়, ৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯-এ গণঅভ্যুত্থান, ৭০-এ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময়ই বঙ্গবন্ধুর ভ্যানগার্ড হয়ে রাজপথে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছে। অ

তারা বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তীতে যখন আবার স্বৈরশাষক আমাদের ওপর ভর করে, তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রবল আন্দোলন গড়ে তুলে পতন ত্বরান্বিত করে। বাংলাদেশের সকল অর্জনে ছাত্রলীগের অংশগ্রহণ ছিল এবং ভবিষ্যতেও একটি দারিদ্র্যমুক্ত দুর্নীতিমুক্ত উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণে ছাত্রলীগ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দক্ষিণ কোরিয়া শাখার প্রস্তাবিত কমিটির আহ্বায়ক আশরাফুল আলম নিন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়া আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল মতিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোজ প্রভাকর, সাখাওয়াত হোসেন সৈকত, সাংগঠনিক সম্পাদক সোলায়মান স্বপন, বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি ডেভিড ইকরাম, যুবলীগ সভাপতি মনোয়ার হোসেন মানিক, সাধারণ সম্পাদক ময়মুর সুলতান, এমএস আলী, ছাত্রলীগ নেতা সাদেকুজ্জামান সাহেদ, ফরহাদ আহামেদ হৃদয়, সৈয়দ আজিম, ইয়াসির ও অন্যান্যরা। 

প্রস্তাবিত কমিটির যুগ্মআহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান চৌধুরী নাসিফের সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটা ও নৈশভোজের মাধ্যমে ৭২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান শেষ হয়।