ইয়াঙ্গুনে জাতীয় শোক দিবস পালিত

প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০১৯     আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৯      

অনলাইন ডেস্ক

শোক দিবস উপলক্ষে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়।

যথাযথ মর্যাদা ও ভাবগম্ভীর পরিবেশে মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় শোক দিবস ২০১৯ পালিত হয়েছে। বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ আগস্ট ২০১৯ দূতাবাসে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত কর্মসূচীর মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণ, বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, আলোচনা সভা, কোরআনখানি এবং বিশেষ দোয়া মাহফিল।

মিয়ানমারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী সকালে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করে দিনের কর্মসূচীর সূচনা করেন। রাষ্ট্রদূত, দূতাবাসের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ এবং ইয়াঙ্গুন প্রবাসী বাংলাদেশের নাগরিকগণ জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে পুস্পার্ঘ অর্পণের মাধ্যমে জাতির জনক ও ১৫ আগস্ট ১৯৭৫ সালে শাহাদাত বরণকারী সকলের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন।

জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বানীসমূহ পাঠ করেন দূতাবাসের কর্মকর্তাবৃন্দ। এরপর জাতির জনকসহ ১৫ আগস্ট ১৯৭৫-এ নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে কোরানখানি ও বিশেষ মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেলে অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও কর্মের উপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দূতাবাসের কর্মকর্তাসহ সভায় উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিগণ আলোচনায় সতঃস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় অংশগ্রহণকারীগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার হিসেবে বঙ্গবন্ধুর অবদান কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন। তারা বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ডকে বাঙ্গালি জাতির জন্য অপূরনীয় ক্ষতি হিসেবে উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রদূত তার বক্তব্যে স্বাধীন বাংলাদেশের রূপকার ও স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি জাতির জনকের দীর্ঘ কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের সৃষ্টিতে বঙ্গবন্ধুর অনন্যসাধারণ নেতৃত্বের উপর আলোকপাত করেন।

তিনি উল্লেখ করেন, বাঙালির জীবনে বঙ্গবন্ধুর স্থান চিরস্থায়ী। বঙ্গবন্ধুর ত্যাগ ও আদর্শ বাঙালি জাতির চিরপ্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের চলমান আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের কয়েকটি দিক তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে তার প্রদর্শিত পথে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্মের উপর একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এছাড়া, দূতাবাসের পক্ষ হতে স্থানীয় দুইটি এতিমখানায় শিশুদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি