ওভারব্রিজের চলন্ত সিঁড়ি নষ্ট, ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার

প্রকাশ: ১৫ মে ২২ । ২৩:২০ | আপডেট: ১৫ মে ২২ । ২৩:৩৩

সমকাল প্রতিবেদক

মেরামতের নামে মাসের পর মাস তালা দিয়ে রাখা হয় চলন্ত সিঁড়ির গেট। ছবি- সমকাল

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সামনের সড়ক পারাপারের একমাত্র ফুটওভার ব্রিজের চলন্ত সিঁড়ি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ। এ কারণে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে দিয়ে রাস্তা পার হন বিমানবন্দরে আসা লোকজনসহ পথচারীরা। এ ব্রিজের অপর পাড়ে রয়েছে বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন। নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এই রেলস্টেশনের যাত্রীদের অনেকে রাস্তা পার হচ্ছেন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে।

রোববার সরেজমিন ঘুরে ভুক্তভোগী যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রায়ই বিমানবন্দরের ফুট ওভারব্রিজের চলন্ত সিঁড়ি বন্ধ থাকে। ওভারব্রিজের লিফটম্যান সাইফুল ইসলাম সোহাগ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, হরাইজন টেকনোলজি নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ ফুট ওভারব্রিজ নিয়ন্ত্রণ করে।

হরাইজনের কয়েকজন কর্মী জানান, ব্রিজের চলন্ত সিঁড়ির পার্টস (যন্ত্রাংশ) নষ্ট থাকায় দীর্ঘদিন ধরে তালা দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে গেট। ওই পার্টস সংগ্রহ না করা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। তারা আরও জানান, এ বিষয়টি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ অবগত।

সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতি মাসে ব্রিজ মেরামতে লাখ লাখ টাকা ব্যয় দেখানো হয় ঢাকা সিটি করপোরেশন থেকে।

বিমানবন্দর ট্রাফিক পুলিশ জানায়, বিমানবন্দর ফুট ওভারব্রিজটি মাসের পর মাস মাস বন্ধ থাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হন যাত্রীরা। তারা বলেন, বিমানবন্দরের সামনের ব্যস্ত রাস্তা পারাপারের জন্য একমাত্র নিরাপদ উপায় ফুট ওভারব্রিজটি। কিন্তু তা প্রায়ই বন্ধ থাকায় মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে পার হন যাত্রীরা। ট্রাফিক পুলিশের বাধাও মানছেন তারা।

ভুক্তভোগীরা জানিয়েছেন, বিমানবন্দরের এ ওভারব্রিজটি ঘিরে সক্রিয় পকেটমার ও ছিনতাইকারী চক্র। ব্রিজের সাধারণ সিঁড়ি দিয়ে গাদাগাদি করে যাত্রীরা ওঠানামা করার সময় এ চক্রের খপ্পরে পড়ে সর্বস্বান্ত হন অনেক যাত্রী। এ ছাড়া এটির বেশিরভাগ জায়গা দখলে থাকে হকার ও ভিক্ষুকের।

এ বিষয়ে বিমানবন্দর পুলিশ বপের এক কর্মকর্তার দাবি, চক্রের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৭১৪০৮০৩৭৮ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com