৫ বছর পর তোলা হলো সাংবাদিক বিপুলের মরদেহ

০৮ ডিসেম্বর ২১ । ০০:০০

বগুড়া ব্যুরো

নন্দীগ্রামের ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামে পাঁচ বছর পর পারিবারিক কবরস্থান থেকে সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুলের লাশ তোলা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশটি তোলা হয়। ২০১৬ সালের ১৮ জুন সাংবাদিক বিপুল নিহত হন।\হসাংবাদিক শফিউল আলম বিপুল ওই গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে। তিনি দৈনিক ইত্তেফাক ও স্থানীয় দৈনিক সকালের আনন্দ পত্রিকার নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

শফিউল আলম বিপুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগ এনে তার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মামলাটি গত ৯ সেপ্টেম্বর নন্দীগ্রাম থানায় রেকর্ড করা হয়। এরপর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রূপম দাসের উপস্থিতিতে পুলিশ তার লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়।

এ মামলায় আসামি করা হয়েছে উপজেলার বর্ষণ গ্রামের আমিনুল ইসলাম জুয়েল, আব্দুল মান্নান, মোজাম্মেল হক, আব্দুল মজিদ, মানিক উদ্দিন, খোকন হোসেন, কোলদিঘী গ্রামের সাইদুল ইসলাম ও বরেন্দ্র পাকুরিয়াপাড়া গ্রামের\হআবু সাঈদকে।

শফিউল আলম বিপুলের ছোট ভাই কামরুল হাসান বলেন, ২০১৬ সালের ১৮ জুন বিপুলের মোটরসাইকেলে ওঠেন প্রধান আসামি আমিনুল ইসলাম জুয়েল। বাড়ি থেকে নন্দীগ্রাম যাওয়ার পথে বরিন্দা পাগরাপাড়া এলাকায় বিপুলকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। পরে এটিকে সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালানোর অপকৌশল করা হয়। এই মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় নন্দীগ্রাম থানার এসআই শাহ সুলতান হুমায়ুনকে।\হনন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ লাশ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২২

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মোজাম্মেল হোসেন । প্রকাশক : আবুল কালাম আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ | ই-মেইল: samakalad@gmail.com