কালের আয়নায়

করোনাকালে বিরোধী দল দায়িত্ব পালন করছে?

০৭ জুন ২০২০

আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী

বাংলাদেশে করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। আক্রান্ত ও মৃতের শঙ্কা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। আমার পরিচিতজনও তাদের মধ্যে আছেন। আমাদের ঔষধ শিল্পের অন্যতম মালিক এবং এমপি এবাদুল করিম আক্রান্ত হয়েছেন। সাবেক মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমও আক্রান্ত। এই অবস্থার জন্য দায়ী কে? মার্চের প্রথম দিকে বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হওয়ার পর পরিস্থিতি একটু অবনতির দিকে গেলেও শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত তত্ত্বাবধানে যখন সরকারি যন্ত্র শক্ত ভূমিকা নিয়েছিল, তখন পরিস্থিতি অনেকটা আয়ত্তের মধ্যে ছিল।

প্রশাসনের হাতে নিয়ন্ত্রণ কিছুটা যেতেই নব্য ব্যবসায়ীরা সুবিধা পেয়েছেন। তাদের চাপে অনিয়ন্ত্রিতভাবে গার্মেন্টস কারখানা এবং তার সঙ্গে অন্যান্য কলকারখানাও খুলে দেওয়া হয়েছে। লকডাউন শিথিল করা হয়েছে। করোনাভাইরাসও তাতে বিনা বাধায় হামলা বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছে। মানুষ আবার আশঙ্কাজনকভাবে মরতে শুরু করেছে।

এ জন্য দায়ী করব কাকে? আমি দায়ী করব প্রশাসনের অদক্ষতা এবং জনগণের অর্ধশিক্ষিত অংশকে, যারা সরকারের আরোপিত স্বাস্থ্য সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিধিনিষেধ মেনে চলেনি। দায়ী করব সুশীল সমাজ এবং বিরোধী দলগুলোকেও। বাংলাদেশ সময় সকাল ৯টার চ্যানেল আইয়ের সংবাদ আমি প্রায় নিয়মিত দেখি। এই সংবাদে মাসখানেক আগেও দেখেছি, সাধারণ মানুষ লকডাউন মানছে না। নানা অজুহাতে তারা রাস্তায় বেরিয়েছে। প্রায় দিনই সংবাদ পাঠকের মন্তব্য ছিল, যতক্ষণ রাস্তায় পুলিশ ও র‌্যাব থাকে, ততক্ষণ মানুষ স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী পরস্পরের কাছ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলাফেরা করে। পুলিশ চলে যেতেই কোনো বিধিনিষেধ তারা মানে না।

কেউ কেউ যুক্তি দেখিয়েছেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশ গরিব। তারা দিন আনে দিন খায়। তাদের দীর্ঘকাল লকডাউনে রাখা সম্ভব নয়, উচিতও নয়। এই যুক্তিটি মেনে নিয়েও বলা চলে, 'এই দিন আনা দিন খাওয়া' মানুষদের বাইরে বেরোবার অনুমতি দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাচলের ব্যবস্থা করা উচিত ছিল। এটা পুলিশ দিয়ে সর্বক্ষণের জন্য করা সম্ভব নয়। পুলিশও মানুষ। তারা ২৪ ঘণ্টা স্কুলশিক্ষকের মতো বেত হাতে ছাত্র পাহারা দিতে পারে না। এখানে দরকার ছিল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার জন্য জনসচেতনতা বাড়ানোর। এ দায়িত্ব ছিল আওয়ামী লীগসহ প্রধান বিরোধী দলগুলো এবং তথাকথিত সুশীল সমাজের। এবারের মহাদুর্যোগে বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও সুশীল সমাজ ঘরে বসে ইয়া নফ্‌সি জপা ছাড়া দেশের মানুষের প্রতি কোন দায়িত্বটি পালন করেছে?

ব্রিটেনে এবার করোনাভাইরাস ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ১০ ডাউনিং স্ট্রিটেও হামলা চালাতে দেরি করেনি। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ভবন হোয়াইট হাউসে পর্যন্ত করোনা হামলা চালিয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হননি। কিন্তু হোয়াইট হাউসের বহু স্টাফ আক্রান্ত। আমি লন্ডনে বসে আল্লাহ আল্লাহ করেছি, বাংলাদেশের গণভবনে যেন করোনার হামলা না ঘটে। শেখ হাসিনা, তার পরিবার-পরিজন এবং স্টাফ যেন সুস্থ থাকেন। এখন পর্যন্ত তারা সুস্থ আছেন, এটাই বড় সান্ত্বনা। কিন্তু বাংলাদেশে আবার যেভাবে করোনা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে, তাতে এই নিশ্চয়তাবোধ কতদিন থাকবে, কে বলবে!

ট্রাম্পের ভ্রান্তনীতি বিশ্বের সর্বাপেক্ষা উন্নত ও শক্তিশালী দেশ আমেরিকাকে করোনার হামলায় বিপর্যস্ত করেছে। এখন তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সারা আমেরিকায় বর্ণবাদী দাঙ্গা। ওয়াশিংটনসহ ২৫টি রাজ্যের ২৬টি শহরে কারফিউ দিতে হয়েছে। একজন কালো মানুষ অন্যায়ভাবে সাদা পুলিশের হাতে মর্মান্তিক মৃত্যুবরণের পর সারা আমেরিকা জনবিক্ষোভে উত্তাল। এখন প্রশ্ন- বিক্ষুব্ধ মানুষ কি করোনা সংক্রান্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিক্ষোভে নেমেছে? মোটেই না। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদের আগুন বুকে নিয়ে আমেরিকার মানুষ, বিশেষ করে কালোরা রাস্তায় নেমে এসেছে। স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই তারা পালন করছে না। এর ফল দাঁড়াবে কী? আমেরিকায় আরও বড় রকমের করোনার হামলা নয় কি?

একদিকে করোনা এবং অন্যদিকে বর্ণদাঙ্গা। এই দুই মিলে কি বিশ্বের 'একমেবাদ্বিতীয়ম্‌' সুপার পাওয়ারকে ঢোঁড়া সাপ বানিয়ে দেবে? যেমন বানিয়েছিল গত শতকের শেষ দিকে গরবাচেভের ভ্রান্তনীতিতে পরিচালিত এবং চেরনোবিলের দুর্ঘটনা ও আফগান যুদ্ধে পরাজয়ে তখনকার দ্বিতীয় সুপার পাওয়ার সোভিয়েত ইউনিয়নকে? অনেক ইতিহাসবিদ বলেন, ইয়েলৎসিনের মূর্খতা এবং আত্মম্ভরিতা যেমন সোভিয়েত ইউনিয়নে ভাঙন ধরিয়েছিল, তেমনি বর্তমানে ট্রাম্পের মূর্খতা ও আত্মম্ভরিতা বিশ্বের একক সুপার পাওয়ার ইউনাইটেড স্টেটসের ইউনিটিতে ভাঙন ধরিয়ে দেবে। ইতোমধ্যে তার নীতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় ঐক্যে ভাঙন ধরিয়েছে।

এবার ঘরের কথায় আসি। বাংলাদেশে করোনার আবির্ভাবের সূচনাতেই আমি ব্রিটিশ আমলে ম্যালেরিয়া মহামারির বিরুদ্ধে স্যার গুরুসদয় দত্তের বয়স্কাউট আন্দোলনের কথা উল্লেখ করে লিখেছিলাম, ম্যালেরিয়ার চাইতেও বড় মহামারির সময় নাগরিক দায়িত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি সম্পর্কে সচেতন নয় এমন জনসমাজের দেশে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক দল ও সুশীল সমাজের দায়িত্ব অনেক। সব দায়িত্ব সরকারের ওপর না চাপিয়ে এই শিক্ষিত সমাজেরও কিছু দায়িত্ব পালন আবশ্যক। পুলিশ লাঠিপেটা করে জনসমাজকে স্বাস্থ্যবিধি শেখাবে- এই তত্ত্বে বিশ্বাসী না হয়ে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ প্রত্যেকটি সরকারি ও বিরোধীদলীয় সংগঠনের উচিত ছিল স্যার গুরুসদয় দত্তের মতো স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন গড়ে তোলা। যারা রাস্তায় নেমে, ঘরে ঘরে গিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি পালনের যৌক্তিকতা বোঝাবেন এবং তা পালনে তাদের শিক্ষিত করবেন ও প্রণোদনা দেবেন।


এ জন্য সরকারেরও উচিত ছিল, রাজনৈতিক দলগুলোকে এই ভলান্টিয়ার কোর গঠনের জন্য উৎসাহিত করা। তারা স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করে রাজপথে নেমে হল্লা করবেন, তা নয়। লকডাউন একটু শিথিল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বয়স্কাউটদের মতো ছোট ছোট গ্রুপে বিভক্ত হয়ে এবং পরস্পরের কাছ থেকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ডিসট্যান্স বজায় রেখে ঘরে ঘরে গিয়ে তারা সাধারণ পরিবারগুলোকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আবশ্যকতা বোঝাবেন ও শেখাবেন। এভাবে একজন দিনমজুরকেও স্বাস্থ্যবিধি বোঝানো এবং শেখানো যায়।

লন্ডনে এ রকম অসংখ্য স্বেচ্ছাসেবী গ্রুপ বেরিয়েছে, যারা ঘরে ঘরে খাদ্য ও ওষুধপত্র পৌঁছিয়ে দেয়, সঙ্গে সঙ্গে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উপদেশ দেয়। এরা সম্পূর্ণভাবে বেসরকারি গ্রুপ। করোনা প্রতিরোধে সরকারি কার্যক্রমে সাহায্য জোগায়। এটা বাংলাদেশে বিরোধী দলগুলো অথবা সুশীল সমাজ করবে না জানি। তাদের ভাবনা, যদি তাতে আওয়ামী লীগকে সাহায্য দেওয়া হয়ে যায়! তাদের স্ট্র্যাটেজি হয়তো, যত মানুষ মরবে ততই তাদের লাভ। আওয়ামী লীগের ব্যর্থতা বাড়বে।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অবশ্য শহরে এবং গ্রামেও ছোট ছোট গ্রুপ তৈরি করে অভাবী মানুষকে সাহায্য জোগাচ্ছেন। এ কাজ করছেন সিপিবির নেতাকর্মীরাও। তারা কৃষককে সময়মতো ধান কেটে ঘরে তোলার কাজে সাহায্য করেছেন। ঢাকাতেও প্রগতিশীল শিল্পী-সাহিত্যিকদের কোনো কোনো গোষ্ঠী গৃহবন্দি থাকার সময়ে মানুষকে ওষুধ ও খাদ্য সাহায্য জুগিয়েছে। নাট্যজন নাসির উদ্দীন ইউসুফ বাচ্চু (একাত্তরের মুক্তিযোদ্ধা) তার ছোট গ্রুপ নিয়ে এ ধরনের কাজে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করেছেন। এ ধরনের স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করতে গিয়ে অনেকে রোগাক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তাদের মধ্যে অনেক ডাক্তার-নার্সও আছেন। গভীর বিপদের মধ্যে মানুষের মনে যে এক ধরনের উদার মানবিকতা জন্ম নেয়, তা যুদ্ধক্ষেত্রেও দেখা গেছে।

বাংলাদেশে এই কাজগুলোকেই একটু সমন্বিত, সংগঠিত করা যেত। আরও একটু ব্যাপক করা যেত। তার সঙ্গে যুক্ত করা যেত 'স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন', তার একটি ক্যাম্পেইন। এই স্বাস্থ্যবিধি কী এবং কেন তা মেনে চলা উচিত, এই ক্যাম্পেইনে তাও থাকা দরকার ছিল। কেবল আইন করে পুলিশ ও র‌্যাব দিয়ে সেই আইন দীর্ঘকালের জন্য কারো দ্বারাই মানানো যায় না। সাময়িকভাবে মানানো যায়।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়া থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে সুশীল সমাজের কারও বিশেষ বক্তব্য শুনেছি বলে মনে পড়ে না। অন্তত তারা করোনার জন্য হাসিনা সরকারকে দোষারোপ করে একটা বিবৃতি দিতে পারতেন। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। কারণ, করোনা উন্নত-অনুন্নম্নত, উন্ননয়নশীল সব দেশে ছড়িয়েছে। কেবল বাংলাদেশে নয়। সুতরাং করোনার জন্য হাসিনার কর্তৃত্ববাদকে দায়ী করে কোনো বিবৃতি দিতে পারেননি। দেখা গেছে, নিউজিল্যান্ডের তরুণী প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্ববাদের মতো হাসিনার কর্তৃত্ববাদ করোনাকে অনেকটা ঠেকিয়েছে। নইলে পরিস্থ্থিতি আরও খারাপ হতো।

যা হোক, সেদিন ঢাকার কাগজে দেখলাম ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে একটি উপদেশ দিয়েছেন। উপদেশটি হলো, 'সকলের সহযোগিতা নিয়ে হাসিনাকে সম্মিলিতভাবে করোনা দমনে এগিয়ে যেতে হবে।' এই বিবৃতিকে যদি উপদেশ হিসেবে ধরা যায় তাহলে বলতে হবে, এই উপদেশ বহু বিলম্বিত হয়ে গেছে। শেখ হাসিনা সমস্যার শুরুতেই সবার সম্মিলিত সহযোগিতা নিয়ে করোনাবিরোধী অভিযানে নেমেছেন। তার প্রত্যেকটি ভিডিও ভাষণে এই মহাদানবকে রোখার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছেন এবং দেশের মানুষকে নানা নির্দেশ দিয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য জেলা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্স করেছেন।

এ ব্যাপারে ড. কামালদের বরং উচিত ছিল বহু আগে শেখ হাসিনার ডাকে সাড়া দিয়ে করোনা দমনে সহযোগিতার হাত বাড়ানো। এই কাজটি তো বিএনপি নেতাদেরও করা উচিত ছিল। জাতির আপৎকালে তা রোখার জন্য সরকার ও বিরোধী দল সব একাকার হয়ে যায়। ইরাক যুদ্ধের সময় বিরোধী টোরি দল এগিয়ে এসে টনি ব্লেয়ারের লেবার সরকারকে সমর্থন জানিয়েছিল। বিশ্বব্যাপী করোনা সমস্যার সময় বাংলাদেশে এ কাজটি প্রধান বিরোধী দল, তথাকথিত সুশীল সমাজ কেউ করতে পারেনি। তাদের মাঠে নামার দরকার ছিল না। বিপদের সময় যদি সরকারকে মুখে এটুকু আশ্বাস দিতেন যে, এই জাতীয় দুর্যোগ প্রতিরোধ করার কাজে আমরা তোমাদের পাশে আছি, তাহলেও সরকারের সাহস ও কর্মদক্ষতা আরও বাড়ত। তারপর করোনা দমনে সরকারের নানা কার্যত্রক্রমের ভুল-ভ্রান্তি দর্শিয়ে তা সংশোধন ও পরিবর্তনের পরামর্শ দিতে পারতেন।

ড. কামাল হোসেনকে আমি একটা পরামর্শ দিতে চাই, আমরা দু'জনেই আশি-ঊর্ধ্ব বয়সের মানুষ। ডাক্তারদের মতে, এই করোনা হামলার দিনে আমরা দু'জনেই হাই রিস্কের মানুষ। আমাদের উচিত, অন্তত আরও ছয় মাস লকডাউনে থাকা। আমি তাই করছি। দীর্ঘ অবসরে নতুন-পুরোনো ইংরেজি, বাংলা ছবি ল্যাপটপে দেখি। সম্প্রতি একটি বাংলা ছবি দেখেছি মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর 'আয়েশা'। আমি ড. কামাল হোসেনকে বিনীতভাবে ছবিটি দেখার অনুরোধ জানাই। তাহলে তিনি কারণে-অকারণে 'আইনের শাসনের' জন্য যে দাবি জানান, তার একটা চমৎকার প্রতিরূপ দেখতে পাবেন।

যে দেশে অশিক্ষিত ও অর্ধশিক্ষিত জনসংখ্যা বেশি, সে দেশে করোনার প্রকোপও বেশি। ইউরোপের দেশগুলোর চাইতে তাই এখন এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে করোনার প্রকোপ বাড়তে দেখা যাচ্ছে। ব্রিটেন, জার্মানি, অস্ট্রিয়া ও নিউজিল্যান্ডে কমতে শুরু করেছে। এই সত্যটি মাথায় রেখে আমাদের সরকার যদি ডাক্তার, বিশেষজ্ঞ ও প্রকৃত জনপ্রতিনিধিদের পরামর্শে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন কর্মসূচি নিয়ে এগোয়, তাহলে আজ করোনা যতই অপরাজেয় মনে হোক, তার পরাজয় ঘটবেই।

লন্ডন, ৪ জুন বৃহস্পতিবার, ২০২০

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)