বরের বাস রেড জোনে, তাই বিয়ে হল ২ রাজ্যের সীমানায়

০৪ মে ২০২০ | আপডেট: ০৪ মে ২০২০

অনলাইন ডেস্ক

২৮ বছর বয়সী অরবিন্দ কুমার ২৫ বছর বয়সী ছায়া রানিকে বিয়ে করবেন বলে মনস্থির করেছিলেন। কিন্তু তাদের বিয়েতে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় করোনাভাইরাস। পাত্র অরবিন্দের ঠিকানা ভারতের উত্তরপ্রদেশের রেড জোনে। অন্যদিকে হবু কনের বাস পার্শ্ববর্তী উত্তরাখণ্ডের গ্রিন জোনে।

কোভিড-১৯-এর নয়া নির্দেশিকা অনুযায়ী, নানা রঙে বিভক্ত হয়েছে দেশের মানচিত্র। সেই মোতাবেক রেড জোনের মানুষের গ্রিন জোনে যাওয়ার অনুমতি নেই। অগত্যা সাত পাকে বাঁধা পড়তে অভিনব উপায় বেছে নিল অরবিন্দ ও ছায়ার পরিবার।

গত শনিবার উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের সীমানাতেই আয়োজিত হল বিয়ের অনুষ্ঠান। এরপর গাড়িতে করে ছায়াকে বাড়ি নিয়ে এলেন অরবিন্দ। তবে এর জন্য যথেষ্ট কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাদের। ওইদিন সকালে বিজনরের বাসিন্দা অরবিন্দ সফর করার জন্য জেলা প্রশাসনের থেকে পাস সংগ্রহ করেন। এরপর ফুল দিয়ে সাজানো গাড়িতে চড়ে যাত্রা করেন উত্তরাখণ্ডের সীমান্তের উদ্দেশে।

প্রায় ১৫০ কিমি দূরে উত্তরাখণ্ডের উধম সিং নগরে অপেক্ষায় ছিলেন ছায়া ও তার পরিবার। তবে বিজনরের সীমানায় অরবিন্দের গাড়ি আটকায় পুলিশ।

জেলা সিল থাকায় তাদের যেতে দেওয়া হবে না বলে জানায় পুলিশ। আর রেড জোন থেকে গ্রিণ জোনে যেতে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়। এরপর কনের পরিবারকে ফোন করে অরবিন্দের পরিবারকে এ বিষয়ে অবহিত করে। এর ফলে নতুন করে আবার সব ঠিকঠাক করতে হয়। ফুল দিয়ে সাজানো কনের গাড়ি এরপর এসে পৌঁছায় উত্তরাখণ্ড সীমানার ধরমপুরায়। পুরোহিত নিয়ে সেখানে পৌঁছান অরবিন্দও। অবশেষে সেখানেই শুভবিবাহ সম্পন্ন হয়।

এ প্রসঙ্গে অরবিন্দ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, 'পুলিশ যখন বাঁধা দিল, তখন সব আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম। তবে অনেক পীড়াপিড়ির পর অবশেষে বিয়েটা হল। পরে পুলিশও আমাদের সাহায্য করে।' এই বিয়েতে হাজির ছিল পুলিশও। সামাজিক দূরত্ব মেনেই হয় আচার অনুষ্ঠান।

© সমকাল ২০০৫ - ২০২০

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭, +৮৮০১৯১৫৬০৮৮১২ (প্রিন্ট), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) | ইমেইল: samakalad@gmail.com (প্রিন্ট), ad.samakalonline@outlook.com (অনলাইন)