চিঠি এলো

১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ | Updated ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯

ধর্ষণ মারাত্মক ব্যাধি

ধর্ষণ আমাদের সমাজের মারাত্মক এক ব্যাধি। প্রতিদিন কেউ না কেউ রাস্তাঘাটে, পার্কে ও কলেজে ধর্ষিত হচ্ছে। কিন্তু খবর বেরিয়েছে, ধর্ষণের ঘটনায় যত মামলা হয়, বিচার হয় তার ১০ ভাগের ১ ভাগের মতো। মেয়েদের চলাফেরাই কঠিন হয়ে গেছে, তারা স্কুল-কলেজে যেতে পারে না। পথের মধ্যে বখাটে ছেলেরা তাদের ওপর বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার চালায়, অশ্নীল কথাবার্তা বলে। গ্রামাঞ্চলে এই ভয়ে অনেক মেয়ে স্কুল- কলেজ ছেড়ে দেয়। আমাদের সবার উচিত, এসব বখাটেকে আইনের হাতে সোপর্দ করা এবং কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা।

সবচেয়ে বড় কথা হলো, পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষার মাধ্যমে ছেলেদের এই পথ থেকে দূরে রাখা। এটা ছাড়া ধর্ষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। পাশাপাশি গণমাধ্যমেও যথাযথ শিক্ষামূলক অনুষ্ঠান প্রচার করতে হবে।

সুমনা আহসান
বগুড়া

আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা

আমাদের দেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ আর্থিক দুর্বলতা, নারী শিক্ষার্থীদের বিয়ে, অসুস্থতা, কর্মে যোগদান, দু-এক বিষয়ে ফেল, মানোন্নয়ন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ ইত্যাদি কারণে অনিয়মিত হয়ে পড়ে। এদের মধ্যে অনেক মেধাবী ও প্রতিশ্রুতিশীল শিক্ষার্থীও রয়েছে। উচ্চশিক্ষার জন্য এদের একমাত্র ভরসা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত দেশের কলেজগুলো। এ বছর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসব কলেজে তিন বছর আগের মাধ্যমিক ও এক বছর আগের উচ্চ মাধ্যমিক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের স্নাতক প্রথম বর্ষে ভর্তির সুযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে প্রতি বছর হাজার হাজার এবং কয়েক বছরের বিচারে লক্ষাধিক শিক্ষার্থীর উচ্চশিক্ষার পথ কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এই অদূরদর্শী ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্তে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষার্থী এবং তাদের পরিবার হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। উচ্চশিক্ষার সুযোগ বন্ধ হয়ে গেলে মাধ্যমিক পর্যায়েও শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাবে। ফলে সমাজে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।

আঞ্জুমান আরা, দিনাজপুর

সঞ্চয়পত্র নিয়ে ভোগান্তি

সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকে পরিবার সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়েছি। সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে টোকেনের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে টাকা হাতে পেয়েছি। টোকেন দেওয়া হলেও এখানে সিরিয়াল রক্ষা করা হয় না। এই কম্পিউটারের যুগে একটা সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে কেন সারাদিন লাগবে সংশ্নিষ্টদর প্রশ্ন করে এর কোনো সদুত্তর পাইনি, উল্টো তাদের দুর্ব্যবহারের শিকার হয়েছি। পরিবার সঞ্চয়পত্র শুধু নারীরাই কিনতে পারেন। নারী বলেই কি এই অবহেলা? সরকার দেশকে ডিজিটাল করার প্রত্যয় ঘোষণা করেছে। এ লক্ষ্যে অনেক কাজও করা হয়েছে। কিন্তু এক শ্রেণির কর্মচারীর দায়িত্বহীনতার কারণে এর সুফল সাধারণ মানুষ পাচ্ছে না। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণকারী এসব কর্মচারীকে অবিলম্বে চিহ্নিত করা দরকার। কী কারণে সঞ্চয়পত্র ভাঙাতে গ্রাহক অহেতুক বিলম্বের শিকার হচ্ছেন, তা তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

মাসুদা খানম, নরসিংদী

© সমকাল 2005 - 2019

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : মুস্তাফিজ শফি । প্রকাশক : এ কে আজাদ

টাইমস মিডিয়া ভবন (৫ম তলা) | ৩৮৭ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮ । ফোন : ৫৫০২৯৮৩২-৩৮ | বিজ্ঞাপন : +৮৮০১৯১১০৩০৫৫৭ (প্রিন্ট পত্রিকা), +৮৮০১৮১৫৫৫২৯৯৭ (অনলাইন) । ইমেইল: [email protected]