তথ্যমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতের উপহার ২০ লাখ ভ্যাকসিন দেশে পৌঁছেছে। সরকারের এই সাফল্যে এখন বিএনপির মুখে উদভ্রান্তের প্রলাপ।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বাংলাদেশ সম্পাদক ফোরাম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি একথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, প্রধান তথ্য অফিসার সুরথ কুমার সরকারের উপস্থিতিতে সম্পাদক ফোরামের উপদেষ্টা ইকবাল সোহবান চৌধুরী ও আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম রতন এ সময় ফোরামের বক্তব্য তুলে ধরেন। আলোচনায় অংশ নেন ফারুক আহমেদ তালুকদার, রিমন মাহফুজ, দুলাল আহমদ চৌধুরী, মফিজুর রহমান খান বাবু, কাজী নাছির উদ্দিন বাবুল, মীর মনিরুজ্জামান, এস.এম. মাহবুবুর রহমান, নাজমুল আলম তৌফিক, মাহমুদ আনোয়ার হোসেন, আশ্রাফ আলী, নাসিমা খান মন্টি, আহসান উল্লাহ, কে. এম. বেলায়েত হোসেন, ড. এনায়েত কাসিম, শরিফ শাহাবুদ্দিন ও আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া।

'সরকার ভ্যাকসিন নিয়ে রাজনীতি করছে'– বিএনপির এমন মন্তব্য প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, 'আজকে করোনার টিকা চলে এসেছে এবং এটি উপহার হিসেবে ভারত সরকার আমাদের দিয়েছে। এজন্য ভারত সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আর এ সময় বিএনপির বক্তব্য তাদের যে মানসিকতা তুলে ধরে, তা হলো অপছন্দের প্রতিবেশীর কোনো ভালোই দেখতে না পারা এবং সবসময় অমঙ্গল কামনা করা।'

ড. হাছান বলেন, 'বিএনপি আশা করেছিল, দেশ এই করোনা মহামারি সামাল দিতে পারবে না। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সেটি সামাল দিয়েছেন এবং বিশ্বব্যাপী তার এই নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে।

তিনি বলেন, উপমহাদেশে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা সবার ওপরে। সমগ্র পৃথিবীতে ২০তম। করোনা মহামারির মধ্যে সারাবিশ্বে মাত্র ২২টি দেশে ধনাত্মক জিডিপি গ্রোথ হয়েছে, তন্মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপি নিজেরা যখন ক্ষমতায় ছিল তখন সবকিছুতেই লুটপাটের সাথে যুক্ত ছিল এবং হাওয়া ভবন গঠন করে যে লুটপাট করেছিল এজন্য দুর্নীতিতে পরপর চারবার একক চ্যাম্পিয়ন আর একবার আরেকটি দেশের সাথে যুগ্ম চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

সম্পাদকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ন্যূনতম স্নাতক ও ১৫ বছরের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতার সনদ যাচাই করে পত্রিকার ডিক্লারেশন দেওয়া ও পত্রিকার সম্পাদক বা ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে পূর্ণকালীন সাংবাদিক থাকা ও পত্রিকার প্রকৃত সার্কুলেশন যাচাই করে মিডিয়া তালিকাভুক্ত করার দাবি তুলে ধরে ফোরাম।

এ সময় তথ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত সনদ ছাড়াও অনেক স্বশিক্ষিত প্রতিভাবান সাংবাদিক দেশে রয়েছেন, যাদের সম্পাদক হবার যোগ্যতাও রয়েছে, যা বিবেচনাযোগ্য। অন্যান্য দাবিগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হবে বলে জানান তিনি।

মন্তব্য করুন