যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারিবারিক ব্যবসা নিয়ে নিউইয়র্কে তদন্ত চলছে। তদন্ত নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের কারণে বুধবার তিনি নিউইয়র্কে যান। তবে সেখানে হাজির হলেও তদন্ত বিষয়ে অ্যাটর্নি জেনারেলের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি ট্রাম্প। ঋণ ও কর সুবিধা পাওয়ার জন্য ট্রাম্প তাঁর সম্পদের সঠিক মূল্য না দিয়ে কর্মকর্তাদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন বলে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে।

ট্রাম্প বলেন, তিনি কোনো অন্যায় করেননি এবং তাঁর বিরুদ্ধে যে তদন্ত হচ্ছে, সেটি তাঁকে হেয় করার জন্য প্রচারণা। ট্রাম্প নিউইয়র্ক অ্যাটর্নি জেনারেল এবং এই তদন্তের সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, আমেরিকার সংবিধানের প্রতিটি নাগরিকের যে অধিকার দেওয়া আছে, সেটির আওতায় আমি প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছি। এই তদন্তকাজে বছরের পর বছর ধরে কয়েক লাখ ডলার ব্যয় করা হয়েছে। তবে কোনো লাভ হয়নি।
নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লিটিটিয়া জেমস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে বুধবার ওই সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়। তিনি বলেছেন, তাঁদের তদন্তকাজ চলবে।
ট্রাম্পের ফ্লোরিডার মার-এ-লোগেতে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই আরেকটি অভিযোগে তল্লাশি চালানোর মাত্র কয়েক দিন পরই ফের জেরার মুখে পড়েন ট্রাম্প। অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের পাশাপাশি ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি কার্যালয়েও তদন্ত চলছে।

এদিকে ট্রাম্পের ফ্লোরিডার বাসভবনে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের তল্লাশি পুরো দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ঝড় তুলেছে। শীর্ষস্থানীয় রিপাবলিকান নেতারা তাঁকে সমর্থন দিয়েছেন। বাইডেনের এই পদক্ষেপকে 'রাজনীতির সশস্ত্রকরণ' বলে অভিহিত করেছেন তাঁরা। বাইডেনের বিরুদ্ধে স্বৈরতন্ত্রের কৌশল প্রয়োগের অভিযোগও তুলেছেন তাঁরা। তবে তল্লাশির পক্ষে বক্তব্য দিয়েছে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক পার্টি। এদিকে বিচার বিভাগের কিছু কর্মকর্তা ট্রাম্পের মার-এ-লোগে বাসভবনে তল্লাশিতে নীরবতা পালন করছেন। খবর সিএনএনের।