ঈদের পর সাতদলীয় জোট গণতন্ত্র মঞ্চের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। নির্বাচনকালীন অন্তর্বর্তী সরকার, সংবিধানের কিছু কিছু বিষয় পরিবর্তন-পরিবর্ধন, সংযোজনসহ আরও অনেক ইস্যু এই রূপরেখায় রাখা হবে। একই সঙ্গে ক্ষমতাসীন সরকারের পদত্যাগ, সরকারের ব্যর্থতা তুলে ধরা, জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনাসহ অনেক দাবিতে লিফলেট বিতরণ, জেলা ও বিভাগীয় শহরে সমাবেশ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

রোববার জোটের শরিক ভাসানী অনুসারী পরিষদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গণতন্ত্র মঞ্চের সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় নীতিগতভাবে গণতন্ত্র মঞ্চের রাজনৈতিক রূপরেখা অনুমোদন করা হয়।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বলেন, তাঁদের সভায় কিছু সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়। ঈদুল আজহার পর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গণতন্ত্র মঞ্চের রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। সেখানে মঞ্চের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য, কর্মসূচিসহ আরও অনেক বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। রূপরেখাকে বই আকারে ছাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সভায় গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা জানান, সিলেট, সুনামগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বানভাসিদের জন্য সরকারি ত্রাণ তৎপরতা নেহাত প্রচারসর্বস্ব। এ অবস্থায় বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে জরুরি ভিত্তিতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।

ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলুর সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, জেএসডির সাধারণ সম্পাদক ছানোয়ার হোসেন, গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব নুরুল হক নুর, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের হাসনাত কাইয়ুম, নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় নেতা জাহেদ উর রহমান।

আরও উপস্থিত ছিলেন হাবিবুর রহমান রিজু, বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন, আবুল হাসান রুবেল, মনিরুদ্দিন পাপপু, রাশেদ খান, ফারুক হাসান, জিল্লুর চৌধুরী জিতু, হাবিবুর রহমান, সাকিব আনোয়ার প্রমুখ।