মান ভাঙল হামিনের মধ্যস্থতায়, ভাইকিংসেই থাকছেন তন্ময়

প্রকাশ: ১৩ মে ২০২০     আপডেট: ১৩ মে ২০২০   

বিনোদন প্রতিবেদক

হামিন আহমেদ ও তন্ময় তানসেন

হামিন আহমেদ ও তন্ময় তানসেন

করেই জনপ্রিয় ব্যান্ডদল ভাইকিংস ছেড়ে দিলেনব্যান্ডটির মূল ভোকাল তন্ময় তানসেন।  নিজের ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারের দিকে মনোযোগী হবার জন্যই ভাইকিংস ছেড়ে দিয়েছেন বলে ভাইকিংস-এর পক্ষ থেকে বলা হয় সোমবার।  

তন্ময় তানসেন  গত ২০ এপ্রিল তন্ময় তানসেন নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েও জানিয়ে দেন তিনি আর ভাইাকিংসে থাকছেন না। ঘোষণার একদিন পরই জানা গেলো ভাইকিংসেই থাকছেন তন্ময়। যাচ্ছেন না ছেড়ে।  কারণ দলের সাথে তার অভিমান মিটে গেছে। 

ভাইকিংসের সঙ্গে তন্ময়ের অভিমান মিটানোর কাজটি করলেন মাইলসের অন্যতম ভোকাল ও বামবার (বাংলাদেশ ব্যান্ড মিউজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন) সভাপতি হামিন আহমেদ। 

বুধবার সন্ধ্যায় জানা গেলো রাজধানীর পান্থপথে একটি বাড়িতে ভাইকিংস ব্যান্ডের ছয় সদস্য বসেন বিশেষ আলোচনায় সেখানে টানা দুই ঘণ্টার আলোচনায় নিজেদের মধ্যকার সমস্যা, মান-অভিমান মেটানো হয় তাদের। ব্যান্ডের সদস্যদের পরিচিত ডা. আশরাফ সিয়ামের বাড়ির সেই আলোচনায় ফোনে যোগ দেন বামবার সভাপতি হামিন আহমেদও। তাদের মধ্যস্থতায় ভাইকিংস ব্যান্ডে ফিরলেন অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও ভোকাল তন্ময় তানসেন।

বিষয়টি নিয়ে হামিন আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তন্ময়ের কিছু অভিমান ছিল। আমার কাছে অভিমানের বিষয়টি যৌক্তিক মনে হয়েছে। তবে আমরা একটা কথাই ভেবেছি, ভাইকিংস বামবার খুবই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। ভালো একটি ব্যান্ড। দর্শকের গ্রহণযোগ্যতাও আছে। তাই তাদের সবাইকে সরাসরি বলেছি, এভাবে ব্যান্ড ভাঙার বিষয়টি ভালো হবে না। নিজেদের ভুল–বোঝাবুঝি নিজেদেরই সমাধান করা উচিত। সব সদস্যই ম্যাচিউরড, তারা সবাই কথাগুলো মন দিয়ে শুনেছে। নিজেদের সমস্যাগুলো বুঝতে পেরে একত্র হয়েছে।’

তন্ময়ের অভিমান কী ছিল জানতে চাইলে হামিন আহমেদ বলেন, ‘তন্ময়ের চাওয়া, ভাইকিংসের আরও বেশি বেশি কাজ করা উচিত। সবাই একত্র হয়ে ব্যান্ডে আরও সক্রিয় উচিত হওয়া উচিত।’

পরে তন্ময় তানসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনিও ভাইকিংস ছাড়ছেন না বলে জানান। তন্ময় বলেন, ‘সবার ইচ্ছা, আমি যেন ব্যান্ড না ছাড়ি। ব্যান্ডের সদস্যদেরও ইচ্ছা, আমি আবার দলে ফিরি বামবাও চাইছিল, আমি যেন নিয়মিত হই। কিন্তু আমি কী চাই, তা কেউ শুনল না। সবার চাওয়াকে প্রাধান্য দিয়ে আমি ফিরেছি। সবার ভালো থাকাটাই আমার ভালো লাগা।’