পঞ্চগড়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিলেন দুই প্রার্থী। গত সোমবার মৌখিক পরীক্ষায় ধরা পড়েছেন তাঁরা। এ ঘটনায় দুই সহযোগীসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন চাকরিপ্রার্থী ইয়াসমিন ও মৌসুমি আক্তার। তাঁদের বাড়ি আটোয়ারী উপজেলার তেলীপাড়া ও নলপুখরি গ্রামে। তাঁদের দুই সহযোগী হলেন সাইদুর রহমান ও মাসুদ রয়েল।

এ ঘটনায় সোমবার রাতে জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের উপপরিচালক বিপ্লব বড়ূয়া পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজনকে আসামি করে সদর থানায় মামলা করেছেন। এ মামলায় ওই চারজনকে  মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হয়েছে। মামলার আরেক আসামি দুলাল হোসেন পলাতক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মামলার এজাহার ও পুলিশ জানায়, গত শুক্রবার পঞ্চগড়ে পরিবার পরিকল্পনা বিভাগে বিভিন্ন পদে লিখিত পরীক্ষা হয়। পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে লিখিত পরীক্ষায় ইয়াসমিন ও মৌসুমি পাস করে সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নেন। তবে তাঁদের কথাবার্তায় সন্দেহ হলে ভাইভা বোর্ডের সদস্যরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে তাঁরা প্রক্সির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কথা স্বীকার করেন। এ জন্য ধাক্কামারা এলাকার দুলাল হোসেন নামে একজনের সঙ্গে ১২ লাখ টাকায় চুক্তির কথাও জানান। পরে ওই দুই পরীক্ষার্থী এবং তাঁদের দুই সহযোগীকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার বাদী বিপ্লব বড়ূয়া বলেন, ভাইভা বোর্ডের প্রধান জেলা প্রশাসক জহুরুল ইসলাম সন্দেহবশত ইয়াসমিন ও মৌসুমিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এক পর্যায়ে তাঁরা প্রপির মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার কথা স্বীকার করেন।

সদর থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে চারজনকে হস্তান্তর করা হয়েছে। আরেক আসামি দুলালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।