নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিতের ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে গঠিত দুটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনই জমা দেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসনের গঠিত কমিটির প্রতিবেদন তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জুবায়ের হোসেন চৌধুরী গত শনিবার জেলা প্রশাসকের কাছে তা জমা দিয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান বলেন, তদন্ত প্রতিবেদন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হবে। এ ছাড়া পুলিশ সুপারের পক্ষ থেকে গঠিত তদন্ত প্রতিবেদন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম গত সোমবার পুলিশ সুপারের কাছে জমা দিয়েছেন। দুটি প্রতিবেদনের তথ্যই গোপন রাখা হয়েছে।

এদিকে সর্বশেষ গ্রেপ্তার নূর নবীর বিরুদ্ধে রিমান্ড আবেদনের শুনানি আজ অনুষ্ঠিত হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সদর থানার ওসি (চলতি দায়িত্ব) মো. মাহামুদুর রহমান বলেন, রিমান্ডে থাকা চারজন- মির্জাপুর গ্রামের শাওন, মনিরুল, রিমন ও রুখালি গ্রামের রনিকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এ পর্যন্ত গোবরা গ্রামের নূর নবীসহ পাঁচজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

গত ১৮ জুন নড়াইল সদরের মির্জাপুর ইউনাইটেড ডিগ্রি কলেজের ছাত্র রাহুল দেব রায়ের ফেসবুকে মহানবী (সা.)-কে নিয়ে অবমাননাকর এক পোস্টের জেরে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়। ফেসবুকে ওই পোস্টদাতা রাসেলের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলার পর তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিতের মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৭০ থেকে ১৮০ জনকে।