আমার ঘরে কিছু ইঁদুর থাকে। তারা রান্না করা নুডলস খায় না, পালং শাক খায় না, থিন এরারুট বিস্কুট খায় না। কর্নফ্লেকস খায়, লইট্যার শুঁটকি খায়, বিশেষ ধরনের শুকনা ফুল খায়। ক্যানাবিস ফুল। পৃথিবীর সব ইঁদুর এ রকম কিনা আমি দায়িত্ব নিয়ে বলতে পারব না। আমার ঘরের ইঁদুররা এ রকম। পরিবার-পরিজন নিয়ে তারা থাকে। জামাই ইঁদুর, বউ ইঁদুর, ছেলে ইঁদুর, মেয়ে ইঁদুর। নাতি নাতকুরও থাকা স্বাভাবিক। ইঁদুরের আয়ু কতদিন? আমি জানি না। ইঁদুর বিদ্যা আমি রপ্ত করি নাই। কখনও রপ্ত করব বলেও মনে করি না। আমার ঘরে কিছু ইঁদুর থাকে বলে আমাকে ইঁদুর বিদ্যা রপ্ত করতে হবে, এটা কোনো ন্যায্যমূল্যের কথা হলো নাকি?
কিছুদিন আগে একটা ছবি দেখেছি টেলিভিশনে। সায়েন্স ফিকশন ছবি, আ হিচহাইকারস গাইড টু দ্য গ্যালাক্সি। মাথামুণ্ডু কিছু বুঝি নাই। তবে দেখে ভালো লেগেছে। ভোগনোস্টিম্ফয়ার বলে গ্রহের বাসিন্দা ভোগনরা। তারা আজব। কদাকার, বিষাদগ্রস্ত এবং কবি। জটিল কবিতা পড়ে শোনায় বন্দিদের। মরে যায় কী করুণ একটা আফসোসের কথা বলে-
'এত বিষাদ আমরা নিতে পারছি না!'
আমি কি সেই ভোগনদের ভগ্নাংশ?
বিষাদগ্রস্ত?
অবশ্যই। আমি বিষাদগ্রস্ত এবং বিষাদ যাপন করি। আমার রক্ত চনমন করে বিষাদে।- কোন কথা থেকে কোন কথায় যাই! 'হিচহাইকারস গাইড' দেখে অবিশ্বাস করা শক্ত, মানবজাতি প্রোগ্রাম মাত্র। ইঁদুরদের বানানো। মহাজাগতিক সেই ইঁদুরদের সঙ্গে কি আত্মীয়তা আছে আমার ঘরের ইঁদুর কৌমের?
থাকলে ভালো হতো। সায়েন্স ফিকশন মার্কা কিছু দিনরাত্রি আপসে কাটিয়ে দিতে পারতাম।
তা নয়। মহাজাগতিক ইঁদুরদের জ্ঞাতি না হলেও ভালোমানুষ আমার ঘরের ইঁদুররা। এ ক্ষেত্রে ইঁদুর বিদ্যা রপ্ত থাকলে হয়তো কাজ হতো খানিক। জামাই ইঁদুর, বউ ইঁদুর, জেঠাইশ ইঁদুর, শ্যালিকা ইঁদুর, আমি শনাক্ত করতে পারতাম। তা পারি না। ধেঁড়ে আর ছানা ইঁদুরের তফাত করতে পারি শুধু। সেটা আমাদের রঙিনও পারেন। রূপকথার বোন রঙিন। এই ফেব্রুয়ারিতে এনার বয়স তিন বছর সাত মাস হয়েছে। কটকট করে কথা বলেন। গত মাসে দাঁত পড়েছে একটা। সেই দাঁত তার আর্টিস্ট বাপ বামনসুর গ্রামে গিয়ে ইঁদুরের গর্তে ফেলেছেন। বাচ্চাদের দাঁত ইঁদুরের গর্তে ফেলতে হয়। জগতের সবকিছুর সঙ্গে সম্পর্ক আছে ইঁদুরদের। থাকুক।
বিশ্রী এবং তিতকুটে কিছু গরমের দিন গেছে এবার। আমার সমস্যা আছে রক্তে, গরম সহ্য করতে পারি না। কাজ আছে, করে খেতে হয়, না হলে গরমের দিনে আমি ঘর থেকে বার হতাম না পারলে।
আমার শোবার ঘরে এসি আছে। যতক্ষণ বাসায় থাকি এসি সর্বনিম্ন কুল মুডে দিয়ে রাখি। দরজা-জানালা সব সময় আটকানো থাকে বলে শোবার ঘরে এন্ট্রি নিতে পারে না ইঁদুররা। তাও একটা এন্ট্রি নিয়েছিল একদিন। টেলিভিশনে মোবাইল ফোন কোম্পানির দেশপ্রেমমূলক বিজ্ঞাপন দেখতে মনে হয়। একটা নেংটি। সটকে পড়েছে চোখে পড়তে না পড়তে। না হলে মরত। থাকতে দিয়েছি তোরা পাশের ঘরে থাক, বিনা ভাড়ায় থাক, আমার বই খা, কাপড়চোপড় খা, দিহানের পার্পল অন্তর্বাস খা কিন্তু বেডরুমে কেন ঢুকবি? এসব আমি বরদাশত করব না কখনও। নেভার। বি কেয়ারফুল, র‌্যাট বাহিনী।
আচ্ছা, দিহান সব নিয়ে চলে গেছে, পার্পল একটা ব্রা রেখে গেছে শুধু। কেন? ভুল করে। পাঁচ বছর এগারো দিনের সংসার। দিহান থাকলে এটা হতো না কখনোই- ঘরদোর এমন ইঁদুরের রাজ্যপাট। একটা পাখির ছানা ছিল দিহান। কিছু কথা এমন মিষ্টি করে বলত। কানে বাজে এখনও।
: আমি তোমাকে খারাপ বাসি না, ভাই।
: দুটা ভাত খাও, ভাই না লক্ষ্মী!
: তুমি ভাই! কী বলব? তুমি হলে একটা- চিরদিন ইচ্ছা মনে আইল ডিঙায়ে ঘাস খাবা। হি! হি! হি!

আমি এখন বলি, ইঁদুরদের ঘর। ইঁদুরদের ঘরে একটা সাদাকালো ছবি আছে দিহানের। বিশ-ত্রিশ সাইজের। ডিজিটাল প্রিন্ট। আমার তোলা ছবি। পোর্ট্রেট। এজন্য এটাও নেয়নি দিহান। আচ্ছা, ইঁদুররা কি উইপোকা খায়? উইপোকা কি চাষ করা যায়? আমাদের পাঠ্যপুস্তক বড় আজব। হ্রস্ব-ইতে ইঁদুর হতে পারল আর হ্রস্ব-উতে উই হতে পারল না, উট হয়ে বসে থাকল। আফসোস। ইঁদুররা যদি উইপোকা না খায়, উইপোকা যদি চাষ করা যায়, আমি চাষ করব। ইঁদুরদের ঘরে। দিহানের পোস্টার সাইজ ছবি উইপোকা খাবে।
কে ভুল?
দিহান?
আমি?
ভুল মানুষ?
ভুল মানুষের সঙ্গেও কত মানুষ ভুল করে বা না করে থেকে যায়। বাচ্চা পাড়ে। আমার তিন চাচা। মেজোচাচা আর চাচিকে দেখেছি, জন্মের তেতো সম্পর্ক দু'জনের, গত বছর এদের ছয় ছেলে মেয়ে ঘটা করে মা-বাপের পঞ্চাশতম বিবাহবার্ষিকী উদযাপন করেছে। তাদের সঙ্গে আমারও অনুষ্ঠান উদযাপন করার কথা ছিল, আমি একটা উছিলা করে যাই নাই, মিথ্যা কথা বলেছি। আমার অ্যাসাইনমেন্ট আছে। গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ অতি গোপনে দুই দিনের জন্য ঢাকায় আসছেন, পানামনগর যাবেন, আমাকে তার সঙ্গে থেকে ছবি তুলতে হবে। গাবো মরে গেছেন তারা জানে না। নাম শোনেনি কখনও মানুষটার। যখন বললাম ইনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী, তারা একটু মন খারাপ করল, তবে ছাড় দিল আমাকে।
আসলে বহুদিন আমি কোথাও যাই না। না যেতে যেতে ফর্মা হয়ে গেছে। ঘরে বসে ইঁদুরের দৌরাত্ম্য দেখে আমি বিষাদ কাটাই এবং আনন্দ পাই। দিনদুপুরে তারা দৌরাত্ম্য দেখায়। আমি প্রায় ফ্রিজার খুলে ফ্রিজারের ডালা আটকাতে ভুলে যাই। তাদের কেউ কেউ তখন ফ্রিজারে ঢুকে নাশপাতি এবং ব্ল্যাক ফরেস্ট কেক খেয়ে যায়। বেগুন ভর্তা বা হলুদ খেজুর খায় না। এই শীতের রাতে তারা কী করছে? আছে। তবে বেজান শৈত্যপ্রবাহ যতি টেনেছে তাদের প্রাণবন্ত রাতের মোচ্ছবে। কিছু শব্দ করছে, ধর্তব্য না। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ে। ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় দশ। আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে বলেছে চলমান শৈত্যপ্রবাহ আরও দুই দিন অব্যাহত থাকবে। থাকুক। ব্যাহত না হোক।
ফোন বাজল।
স্যাক কলিং ...।
এস এ কে। সহিদুল আমিন কাওসার। কোত্থেকে শালা?
ধরব?
ধরি।
'কী রে মামু?'
'কী রে মামু! তোর দেখি কোনো খবর নাই ব্যাটা। ফোন করি, পাই না। হয় তোর ফোন বন্ধ থাকে, না হয় ব্যস্ত। তোর ফোনে কি মিসকল ওঠে না? বিষয় কী তোর?'
'ইন্দুরদের টাইম দেই রে মামু।'
'ইন্দুরদের টাইম দিস মানে?'
'ইন্দুর। র‌্যাট। আর এ টি।'
'বুঝছি। তোর মাথা ঠিক হয় নাই।'
'দেখে যা। বাসায় আয় একদিন।'
'কী দেখে যাব? ইন্দুরের সেক্স?'
'আয় আগে একদিন।'
আগ বাড়িয়ে বললাম কারণ চাইলেও কাওসার মামু আসতে পারবে না। তার অফিস রাত্রিকালীন। না হলে আমি কখনোই চাই না আমার বাসায় কেউ আসুক। সামাজিকতা দেখানোর মতো যথেষ্ট সৌজন্যবোধ আমার মধ্যে নাই। আমি শুধু আমার বিষাদ নিয়ে থাকি। ইঁদুরদের দেখি। বিষাদ যাপন করি।
টুক-টক-টুক!
কেউ টোকা দেয় নাকি দরজায়?
আমার বাসায় কলবেল নাই। কলবেলের ঝংকার আমার অপছন্দ। গোপন একটা নেপথ্য ইতিহাস আছে এর, বলতে চাচ্ছি না। কলকাতা থেকে প্রকাশিত 'পুরনো বাংলা প্রবাদ' বইয়ের ২৩৮ পৃষ্ঠায় একটা প্রবাদ আছে, মেয়ে মানুষের জেদ/ না মানে জ্ঞাতি না মানে ভেদ। দিহান সেই জেদের বশবর্তী হয়ে ভয়ংকর দুটা কাজ করেছিল। দরজায় ১. কলবেল, ২. পিপহোল লাগিয়ে নিয়েছিল। প্রথমটা অসহ্য এবং দ্বিতীয়টা অসহ্যতর। কিন্তু নিরাপত্তার জন্য দরকার এসবের। দিহানের যুক্তি। নিরাপত্তা। হ্যাহ্‌!
দিহান গেছে। পিপহোল আমি লাল টেপ দিয়ে সিলগালা করে দিয়েছি। কলবেলের কানেকশন কেটে দিয়েছি, সুইচে কুইক ফিক্স ঢেলে দিয়েছিলাম, জন্মের মতো গেছে।
টুক-টুক-টুক।
টোকা দেয় কেউ।
কে?
টুক-টুক।
'কে?'
কেউ ফিসফিস করে বলল-
'আমি।'
এই রাতে কে?
মেয়ে কণ্ঠ।
কে?
বহুদিন আমার ঘরের দরজায় কোনো মেয়ে টোকা দেয় না। পত্রিকার হকার, ময়লাঅলা এবং ডিশঅলা টোকা দেয় মাসান্তে। তারা কেউ মেয়ে না।
দরজা খুলে প্রথম মনে হলো বিভ্রম। দরজায় দিহান। পাঁচ ফুট চার ইঞ্চি দিহান। কিন্তু কীভাবে?
চিন্তাও করি নাই। অথচ মাত্র আমি তার কথা ভাবছিলাম। সে কী করে ফিরেছে?
'তুমি!'
'ফিরব ভাবো নাই?'
'কী করে?'
'ঘরে ঢুকতে দিবা না? ডর লাগে?'
'নাহ্‌! কেন?'
শৈত্যপ্রবাহের কনকনে ঠান্ডা, মনে হলো আরও কিছু ঠান্ডা নিয়ে ঘরে ঢুকল দিহান। ঘর আরাও ঠান্ডা হয়ে গেল লহমায়। আমি একটা হুডি পরে আছি। তাও শীত লাগল হাড়ে-হাড্ডিতে। দরজা খোলার আগ মুহূর্তেও কিছু ঠান্ডা বাহাস করছিল ইঁদুররা। চুপ মেরে গেল তারাও আতকা।
'চা খাবে?'
'না।'
'কফি?'
'না।'
'জয়েন্ট?'
'না।'
'মদ?'
'না। তুমি বসো, কথা বলি।'
'দিহান-।'
দিহান বসল। পারিপার্শ্বিক দেখল চকিতে এবং বলল- 'ইঁদুরের ঘর। ভালো।'
কী বলব, ভালো তো অবশ্যই।
দিহানের গলা কী মিষ্টি এবং ঠান্ডা।
'আমি তোমাকে ভালোবাসতাম।'
আমি হাসলাম, 'এখন বাসো না?'
'খারাপ বাসি। তুমি কেন এটা করলে, হ্যাঁ?'
'পাহাড়ের ইঁদুররা তোমাকে খায় নাই?'
দিহান হাসল, 'তুমি কেন ডিটেকটিভ গল্প লেখো না। এত সহজে একটা বানোয়াট গল্প মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারলা! আমি চলে গেছি!'
'যাও নাই? পাহাড়ি ইঁদুররা তোমাকে খায় নাই?'
'তুমি তোমার ঘরে ইঁদুরদের ঘরসংসার পেতে থাকতে দিছ। কেন? পাহাড়ি সেই ইঁদুরদের প্রতি কৃতজ্ঞতাবশত?'
'হতে পারে। এটা আমি এইভাবে ভাবি নাই।'
'অ। তুমি একটা সতর্ক শয়তান।'
'মাসুদ রানা সিরিজের একটা বইয়ের নাম এটা। সতর্ক শয়তান।'
'বিশ্বাস করো আমি বুঝি নাই। তুমি বললে যাবে ভাটি অঞ্চলে, গেলে পাহাড়ে। দুই দিন পর আমাকে ফোন করে বললে কাউকে না বলে ফোন অফ করে বাসে উঠে পড়তে। কটা দিন আমরা পাহাড়ে কাটাব। কী দারুণ! আমি রাতের বাসেই উঠে পড়লাম। সকালে কুয়াশায় ঢাকা পাহাড়ের মোটেলে। তাদের গাড়িই নিচের শহরের বাসস্ট্যান্ড থেকে পিক করেছিল আমাকে। তেরোটা কটেজ মিলিয়ে মোটেল। বম কটেজ, মারমা কটেজ, ম্রু কটেজ, মগ কটেজ ...। আমরা বম কটেজে ছিলাম। মনে আছে?'
'সব মনে আছে। আমি তোমাকে বুড়ি চং প্রপাত দেখাতে নিয়ে গেলাম, পা স্লিপ করে একেবারে পাহাড়ের কিনার থেকে পড়ে গেলে তুমি।'
'পড়ে গেলাম! নাহ!'
'তোমার মনে নাই।'
'মনে আছে। তোমারও মনে আছে।'
'মনে আছে। পাহাড়ি ইঁদুররা তোমার ডেডবডি খায় নাই?'
'কেন জানতে চাও? দেখে ফিরতে। আমি কেন বলব? তুমি কেন এটা করলে, বলো?'
'বিষাদ কাটাতে।'
'বিষাদ কাটছে?'
'যাপন করতেছি।'
'বিষাদ যাপন?'
দিহান হাসল।
কেমন অদ্ভুতভাবে হাসল। কী হয়েছে? চোখের মণিতে রিমঝিম দিহানের। এভাবে সে কেন হাসছে?
'তুমি কি মরে পাগল হয়ে গেছ?'
'না রে, পাগল হই নাই।'
'তবে এই রকম হাসতেছ কেন?'
'হাসি পায়, হাসি।'
'হাসি পায়? কেন? আমাকে কি নাটক সিনেমার কমিক রোল মনে করতেছ তুমি?'
'আরে না! তুমি কমিক রোল-!'
'দিহান, দেখো-।'
'কী দেখব? আমার আর দেখার কিছু নাই, ভাই। তুমি দেখো। দেখো, দেখো-।'
কী দেখব?
হাসতে হাসতে কী হয়ে যাচ্ছে দিহান?
কী?
'দিহান!'
এত আতঙ্কিত আমি কখনও হই নাই। এত ঠান্ডা কখনও হই নাই। আমি যা দেখছি তা ঘটছে? আর কিছু একটা হয়ে যাচ্ছে দিহান? হয়ে যাচ্ছে।
ইঁদুর বাহিনী দেখছে দিহানকে?
পিনড্রপ নিঃশব্দ তারা।
দিহান আর দিহান থাকছে না, রূপ নিচ্ছে আর কিছুর। স্পষ্ট হচ্ছে সেই কিছুর চোখের রিমঝিম। স্পষ্ট হচ্ছে সে।
ওহ! এত ভয়! এত! এত!
ইঁদুরদের আইলুরোফোবিয়া আছে। আমারও আইলুরোফোবিয়া আছে। আইলুরোফোবিয়া বলে বেড়াল ভীতিকে। না হলে এখন আমি এত ভয় পাই? এত? এ রকম ঠান্ডা হয়ে যাই, দিহানকে দিহান থাকতে না দেখে?

যদিও আরেক শীতে এই দিহানকে খেয়ে ফেলেছে পাহাড়ি ইঁদুররা।

দিহান ওতু হয়ে ফিরেছে।
ঋক বেদে আছে ওতু। মানে বেড়াল।
আমি?
ইঁদুর হয়ে যাচ্ছি।