ক্রিমিয়ায় একটি বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণে রাশিয়ার প্রায় এক ডজন যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি করেছে ইউক্রেনের বিমানবাহিনী।

বিমানবাহিনীর মুখপাত্র ইউরি ইহানাত একটি টেলিভিশনকে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা যেসব ভিডিও দেখেছি, তা পর্যালোচনা করে বলা যায় ওই অস্ত্রের গুদামে আঘাত করা হয়েছিল।’

ক্রিমিয়া রাশিয়া ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে  দখল করে নিয়েছে। সেখানেই একটি বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

বিস্ফোরণে যুদ্ধবিমান ধ্বংসের বিষয়ে ইহানাত বলেন, ‘সু-৩৪ বোম্বার এবং সু-২৪ যুদ্ধবিমান ধ্বংস হয়েছে। “সম্ভবত” ধ্বংস হয়েছে হেলিকপ্টারও।’

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলেছে, গোলাবারুদের একটি গুদামে বিস্ফোরণ হয়েছে এবং বাইরে থেকে ‘আগুনের প্রভাব’ ছিল না।

যদিও রাশিয়ার এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সহযোগী মিখাইলো পডলিয়াক এ হামলার পেছনে কিয়েভ জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি একটি অনলাইন টেলিভিশনকে বলেন, ‘অবশ্যই না। এর সঙ্গে আমাদের কি করার আছে?’

ক্রিমিয়ায় ইউক্রেনের হামলা রাশিয়া গুরুতর হিসেবে বিবেচনা করবে বলে আগেই সতর্ক করেছিল।

রাশিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ‍দিমিত্রি মেদভেদেভ সতর্ক করে দিয়ে বলেছিলেন, যদি ইউক্রেন ক্রিমিয়ায় হামলা করে তবে ‘তাৎক্ষণিকভাবে কেয়ামত ঘটে যাবে’।

ইহানাত বলেন, নভোফেডোরিভকা বিমান ঘাঁটিতে থাকা রাশিয়ার যুদ্ধবিমান ইউক্রেনের আকাশসীমায় ২৪ ঘণ্টা টহল দেয়। সুতরাং এ বিমানঘাঁটিতে বিস্ফোরণ একটি ‘ইতিবাচক’ ঘটনা।