সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে হত্যার ঘটনায় সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে ফ্রান্স। তিনি সৌদির নাগরিক। 

তবে সৌদি আরব দাবি করেছে, ওই ব্যক্তি প্রকৃত সন্দেহভাজন নন। সন্দেহভাজন খালিদ আলোতাইবির সঙ্গে শুধু তার নামের মিল রয়েছে। খবর এএফপির।

২০১৮ সালের অক্টোবরে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি কনস্যুলেটে গিয়ে খুন হয়েছিলেন জামাল খাসোগি। সৌদি সরকার ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সমালোচক খাসোগি সে সময় যুক্তরাষ্ট্রে থাকতেন। তুর্কি বাগদত্তাকে বিয়ে করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দিতে তুরস্কের ওই কনস্যুলেটে গিয়েছিলেন তিনি। আলোচিত এ হত্যার ঘটনায় ২০২০ সালে তুরস্কের আদালতে ২৬ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তারা সবাই পলাতক। সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন দেশটির আদালত। তাদেরই একজনের নাম খালিদ আলোতাইবি।

ফ্রান্সের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, গত মঙ্গলবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানার ভিত্তিতে ফ্রান্সের সীমান্ত পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। পাসপোর্টে তার নাম খালিদ আলোতাইবি বলে উল্লেখ করা আছে। প্যারিসের চার্লস দে গলে বিমানবন্দর থেকে রিয়াদগামী একটি ফ্লাইটে ওঠার সময় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ব্যক্তিই সে সন্দেহভাজন খালিদ আলোতাইবি কিনা, তা নিশ্চিত হওয়ার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা।

পরে মঙ্গলবার রাতে একটি বিবৃতি দিয়েছে প্যারিসের সৌদি দূতাবাস। এতে দাবি করা হয়, ওই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানিয়েছে রিয়াদ।

সৌদি আরবের এক নিরাপত্তা সূত্রকে উদ্ধৃত করে খবরে বলা হয়েছে, সৌদি আরবে খালিদ আলোতাইবি নামে অনেক মানুষ আছেন। ফরাসি কর্তৃপক্ষ যে আলোতাইবিকে আটক করার চেষ্টা করছে, সেই ব্যক্তি মূলত একই মামলার অপর আসামিদের সঙ্গে সৌদি আরবের কারাগারে আছে।

খাসোগি হত্যার ঘটনায় ২০১৮ সালে ১৭ সৌদি নাগরিকের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। আলোতাইবি তাদেরও একজন।