করাচিতে গ্রেনেড হামলা, আহত ৪০

প্রকাশ: ০৬ আগস্ট ২০২০   

অনলাইন ডেস্ক

জামাত-ই-ইসলামি নামের একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশে হামলা

জামাত-ই-ইসলামি নামের একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশে হামলা

পাকিস্তানের করাচিতে গ্রেনেড হামলায় ৪০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে বেশ কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বুধবার সন্ধ্যায় করাচিতে জামাত-ই-ইসলামি নামের একটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশে ওই হামলা চালানো হয়। ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের দিনটির স্মরণে জামাত-ই-ইসলামি ওই সমাবেশের আয়োজন করেছিল। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ সংগঠন সিন্ধুদেশ রেভোলিউশনারি আর্মি (এসআর এ) করাচি গ্রেনেড হামলার দায় নিয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে হামলা চালানোর কথা তারা স্বীকার করে। খবর ডন অনলাইনের।

করাচি পুলিশ জানায়, শহরের গুলশান-ই-ইকবাল অঞ্চলে সমাবেশের মূল ট্রাকটিকে নিশানা করে ওই হামলা চালানো হয়। জামাত-ই-ইসলামির মুখপাত্র জানান, মোটরসাইকেলে থাকা দুই ব্যক্তি ট্রাকের সামনে গ্রেনেড ছুড়ে পালিয়ে যায়। ওই গ্রেনেড ফাটলে ৪০ জন জামাত সমর্থক আহত হয়। হামলা চালাতে আরজিডি-১ গ্রেনেড ব্যবহার করা হয়েছে।

সিন্ধুর স্বাস্থ্যমন্ত্রী মিরান ইউসুফ জানান, আহত ৪০ জনের মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। এখনও কারও মৃত্যু হয়নি। আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।  

পাকিস্তানি ফেডারেশন থেকে সিন্ধ প্রদেশকে বিচ্ছিন্ন করতে এই গোষ্ঠী লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে। দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানের বেলুচিস্তান অঞ্চলে বৃহত্তর স্বায়ত্তশাসনের জন্য লড়াই করা অপর একটি সশস্ত্র সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মির সঙ্গে জোট করার কথাও ঘোষণা করেছে এসআরএ।

চলতি বছরের জুন মাসে এসআরএ'র তিনটি পৃথক বিস্ফোরণে চার জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে দুই সেনাও ছিল।