দেশে স্থূলতা এবং অসংক্রামক রোগে (এনসিডি) আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। এর লাগাম টানতে হলে পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতি প্রয়োজন। এতে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ এবং অস্বাস্থ্যকর স্যানিটেশন, অনিশ্চিত জীবিকা ও স্বল্প মূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার অভাবসহ নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এখাতে যৌথ উদ্যোগ, একাধিক স্টকহোল্ডারের দৃঢ় সমন্বয় ও সহযোগিতা প্রয়োজন।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে 'স্কেলিং আপ নিউট্রিশন (সান) পলিসি ডায়ালগ-২০২২' শীর্ষক কর্মশালায় এসব তথ্য জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন স্বাস্থ্য সচিব আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা. এম ইসলাম বুলবুল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব সৈয়দ মুজিবুল হক, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিশ্ব স্বাস্থ্য অনুবিভাগ) কাজী জেবুন্নেছা বেগম প্রমুখ।

কর্মশালায় জাতীয় পুষ্টি সেবার (এনএনএস) লাইন ডিরেক্টর ডা. এস এম মোস্তাফিজুর রহমান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তিনি বলেন, ইউনিভার্সেল হেলথ কাভারেজ ফর নিউট্রিশন অর্জন করতে ২০২৫ সালের মধ্যে ১২টি কমিটমেন্ট পূরণে সরকারের ২২টি মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এর মধ্যে ৬টি পূরণ করবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এগুলো হলো- শিশুদের স্টান্টিং সমস্যা ৩১ শতাংশ থেকে ২৫ শতাংশে নামানো, অপচয় হ্রাসকরণ ৯ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ৭ শতাংশের নিচে, কম ওজন নিয়ে শিশুজন্ম ১৪ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে আনা, পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে শৈশবকালীন স্থূলতা ২ দশমিক ৪ শতাংশ, তা এক শতাংশে নামানো, প্রজনন বয়সীদের মধ্যে রক্তস্বল্পতা হ্রাস ৩০ দশমিক ২ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে এবং ৬৪ জেলায় পুষ্টি কর্মকর্তা নিয়োগ।