স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের পক্ষ থেকে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে বলা হয়েছে। ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। সামাজিক দূরত্ব বজায় এবং জনসমাগম যথাসম্ভব বর্জন করতে জনগণকে সচেতন করতে সরকার কাজ করছে। জনগণ স্বাস্থ্যবিধি না মানলে, মাস্ক না পরলে  সরকার করোনা নিয়ন্ত্রণে আইন প্রয়োগ করবে।

বুধবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এ সময় বেশি করে করোনা পরীক্ষা দরকার। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ পেয়েছেন এমন সবাইকে দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া প্রায় শেষ হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, দুয়েক দিনের মধ্যে ৭০ শতাংশ মানুষ পূর্ণ ডোজের আওতায় আসবে।

তিনি বলেন, করোনা বৃদ্ধির হার গত ১৫ দিন অনেক কম ছিলে। এখন অনেক বেশি। এটার লাগাম টেনে ধরতে চাই। আমাদের একার পক্ষে সম্ভব নয়। মাস্কের ব্যাপারে জনগণের সচেতন হওয়া জরুরি। সেটি হলে পরিস্থিতি অনেকটা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, মাস্ক পরার নির্দেশনা দিয়েছি। একটি চিঠি মন্ত্রপরিষদ থেকে দিয়েছে। আমাদের সুপারিশ থাকবে, শাস্তি দিয়ে নয়, স্বতঃস্ফূর্তভাবে মাস্ক পরার। তবুও ব্যত্যয় ঘটলে সরকার ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না।

মন্ত্রী বলেন, শিশুদের ভ্যাকসিন কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। শিশুদের জন্য করোনার ভ্যাকসিন জুলাই মাসের মাঝামাঝি পেয়ে যাবো। এটা হাতে আসলে জুলাইয়ের শেষে পাঁচ থেকে ১২ বছরের শিশুদের জন্য টিকাদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবো। সেজন্য যে ডকুমেন্টস প্রয়োজন সেগুলো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে।