সবার ভালোবাসা পাওয়া কঠিন ব্যাপার। দেশের মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি- এটাই বড় প্রাপ্তি। আমার যতটুকু অর্জন করার ছিল, তা করেছি। জীবনে কিছুই করতে পারলাম না- এমন আক্ষেপ আমার নেই। এক জীবনে আমি অনেক পেয়েছি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে অনেক দিয়েছেন। তাঁর প্রতি অসীম কৃতজ্ঞতা।


ভাষা, দেশের জন্য অসাধারণ লোকজন আত্মদান করে গেছেন। তা পুরোনো, বাসি হয়ে যাওয়া ঘটনা মনে করি না। তা চিরদিনের এবং গৌরবের। কৃতজ্ঞচিত্তে আমরা তা মনে রাখি এবং ভাবি- কী করতে পারি দেশটার জন্য। পঞ্চাশ বছরে অনেক অবহেলা, অনেক দায়িত্বহীনতা জমে গেছে। চলুন হিসাবে বসি।

বলিউডে অমিতাভ, রেখা, মাধুরীদের নিয়ে এখনও গল্প লেখা হয়, সিনেমা তৈরি হয়। আমরা কোথায় আছি? গুণী শিল্পীদের নিয়ে এখানে গল্প লেখা হয় না। সব ধরনের সিনেমাই বানাতে হবে। চরিত্রভিত্তিক সিনেমা থাকবে, গল্পভিত্তিক সিনেমাও থাকবে। আবার তরুণদের নিয়ে রোমান্টিক সিনেমাও করতে হবে। তা হলেই ইন্ডাস্ট্রির পরিসর বাড়বে, বাজারও বাড়বে।


আমার জন্মদিনে আব্বা সব সময় একটা সুন্দর পাঞ্জাবি পরে পাশে দাঁড়াতেন, কেক কাটতেন। এবার আব্বা ছাড়া এবার জন্মদিন এলো। তাই মনটা অনেক খারাপ। ঘরোয়াভাবে আয়োজন করা হয়েছে। একই দিনে আমার পুত্র আয়াশেরও জন্মদিন। তাই তার আবদার রক্ষার্থে গাড়ি নিয়ে বাবা-ছেলে মিলে ঘুরতে বেরিয়েছিলাম।


কলকাতা থেকে অর্ণবের সঙ্গে বাংলাদেশে এলাম। এসেই সবকিছু নতুন করে শুরু করতে হয়েছে। ট্র্যাফিক জ্যাম, আবহাওয়া, খাবার, পরিবেশের সঙ্গে একটু একটু করে মানিয়ে নিয়েছি। ঢাকায় আসার পর প্রথমেই মনে হয়েছিল, মিউজিক ছাড়া বাঁচতে পারব না। ধীরে ধীরে সব সয়ে গেছে। এখন ঢাকার বাসা নিজের বাসা বলেই মনে হয়।