পটুয়াখালীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি, সিনিয়র সহসভাপতিসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ২টার দিকে শহরের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শফিউল বাসার উজ্জ্বল, সিনিয়র সহসভাপতি মেহেদী হাসান শামীম ছাড়াও রয়েছেন সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল-আমিন হাওলাদার ও সদর উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো. জাকারিয়া আহমেদ। তাঁদের মধ্যে গুরুতর আহত আল-আমিন ও জাকারিয়াকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ঘটনায় শহরে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
এদিকে এ ঘটনার জন্য ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ ছাত্রলীগকে অভিযুক্ত করেছেন। অন্যদিকে ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ এ ঘটনাকে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের ঘটনা বলে দাবি করেন।
জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শফিউল বাসার উজ্জ্বল বলেন, 'ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুপুরের দিকে তাঁরা শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি নিয়ে সবুজবাগ মোড় থেকে শুরু হয়ে তিতাস এলাকায় পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সামনে এসে বিক্ষোভ সমাবেশ করে। এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান আরিফের নেতৃত্বে ২০-২৫টি মোটরসাইকেলে লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালানো হয়। এতে ছাত্রদলের জেলা নেতৃবৃন্দসহ ২৫-৩০ নেতাকর্মী আহত হন।
এ ব্যাপারে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান আরিফ বলেন, এ ঘটনাটি ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের বহিঃপ্রকাশ। দীর্ঘদিন ধরে পটুয়াখালীতে বিএনপি ও তাদের প্রতিটি অঙ্গসংগঠন দুটি গ্রুপে বিভক্ত। এ ঘটনাটিও ওই দুই গ্রুপের আধিপত্যের জেরেই ঘটেছে। এ ঘটনার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো নেতাকর্মী সম্পৃক্ত নন।
পটুয়াখালী সদর থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান জানান, এ ধরনের ঘটনা তাঁর জানা নেই এবং কেউ অভিযোগও করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।