আমাদের গাড়ির গতি স্বাভাবিক ছিলো, মোটেও ডাংক ছিলাম না। রাতে আমাদের গাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়া একটা রিকশায় ধাক্কা লাগার উপক্রম হয়। কিন্তু তেমন কোনো ঘটনা ছিলোনা সেটা। পুলিশ আমাদের গাড়ি থামাতে বলে আমরা থামাই এরপর পুলিশ বলে আরও ধীরে চালাতে। কিন্তু পরে গাড়ি থামিয়ে রাখাতে কিছুটা উচু গলায় কথা হয়। এপর আমার বন্ধু অর্ঘকে থানায় যেতে বলে। কিন্তু আমাকে বলা হয় আপনি না এলেও চলবে। কিন্তু আমি অর্ঘকে একা ফেলে আসিনি। আমিও থানায় যাই। ব্যস ঘটনা এটাই।আর মুচলেকায় অর্ঘ কি লিখেছে সেটা আমি জানি না।’  বলছিলেন স্পর্শিয়া।  

গভীর রাতে অভিনেত্রী স্পর্শিয়া ও তার বন্ধু প্রাঙ্গন দত্ত অর্ঘকে (৩৩) আটক করে রাজধানীর ধানমন্ডি থানা পুলিশ। পরে মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পান তারা। কেনো থানায় যাওয়া এবং মুচলেকা দেওয়া এ প্রশ্নের বিপরীতে সমকালকে কথাগুলো বলেন স্পর্শিয়া। 

স্পর্শিয়া আরও বলেন, ' আমাদের এমন কিছু হয়নি। এটা  বড় কোন ইস্যুও নয়। ওখানকার দায়িত্বি থাকা পুলিশ  কিন্তু আমাকে বলেছিলেন ম্যাডাম আপনি চলে যেতে পারেন। থানায় আপনাকে যেতে হবে না। তবুও আমি গিয়েছি। তারা থানায় আমার সঙ্গে ভলো আচরণই করেছেন। 

বৃহস্পতিবার রাতে ধানমন্ডির ৮/এ রোডে ইউনিমার্ট শপিং সেন্টার এলাকায় ধানমন্ডি থানার এসআই মাহবুব উল আলম এবং এসআই মাইনুল ইসলাম টহল উিউটিতে ছিলেন। রাত ১২ টার দিকে আবাহনী মাঠের দিক থেকে জিগাতলার দিকে একটি অভিজাত প্রাইভেট কার (ঢাকা মেট্টো-ঘ-১৭-৪০৭২) বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। ইউনিমার্টের সামনের সড়কে একটি রিকশায় ধাক্কা দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল গাড়িটি। এসআই মাহবুব গাড়িটি থামার সংকেত দেন।

ওই গাড়িতে ছিলেন অভিনেত্রী স্পর্শিয়া ও তার বন্ধু প্রাঙ্গন দত্ত অর্ঘ। প্রাঙ্গন গাড়ি চালাচ্ছিলেন আর পাশের সিটে ছিলেন স্পর্শিয়া। তাদের গাড়ি কেনো থামানো হয়েছে-এমন প্রশ্ন করে পুলিশের ওপর চড়াও হন বলে দাবী পুলিশের। 

ধানমন্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া সমকালকে বলেন, দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর কারণে পুলিশ গাড়ি থামিয়ে প্রাঙ্গনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। গাড়িতে স্পর্শিয়া ছিল। তারা পুলিশের সঙ্গে অসাদচারণ করেন। এ কারণে তাদের থানায় নেওয়া হয়েছিল। রাতেই মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাদের।