সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
বিসিএস ক্যাডার হওয়া অনেকের কাছেই স্বপ্নের মতো। প্রস্তুতি যদি পরিকল্পিতভাবে ঠিকঠাক করা যায়, তাহলে হাজার হাজার প্রার্থীর মধ্যেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে নিজেকে এগিয়ে রাখা সম্ভব।
-প্রথমত, বিগত পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করতে হবে। সম্ভব হলে একবার করে লিখে ফেলতে হবে। এতে করে পরীক্ষায় সাধারণত কী ধরনের প্রশ্ন আসতে পারে, সে বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা তৈরি হবে। বিগত প্রশ্ন থেকে টপিকভিত্তিক প্রশ্নগুলো আলাদা করে লিখে ফেললে ভালো হয়।
- বিজ্ঞানের উল্লেখযোগ্য টপিকগুলোর মধ্যে রয়েছে আলো, শব্দ, চৌম্বকত্ব, অ্যাসিড, ক্ষার ও লবণ, পানি, বায়ুমণ্ডল, খাদ্য ও পুষ্টি, জৈব প্রযুক্তি, রোগ ও স্বাস্থ্য পরিচর্যা, সিপিইউ মাইক্রোপ্রসেসর, মেমোরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, বায়োস, টেক্সট এডিটর, কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার, সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ভাইরাস, প্রগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ডাটা বেস, নেটওয়ার্ক, নেটওয়ার্ক ডিভাইস, আইপি প্রটোকল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ওয়াইফাই, ওয়াইম্যাক্স, স্মার্টফোন, ই-কমার্স ইত্যাদি বিষয়ে প্রশ্ন আসে।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশ আমাদের ব্যবহারিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত। এ টপিকগুলো মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বই থেকে শিখবেন। উত্তর লেখার সময় বিভিন্ন অংশের কাজ পয়েন্ট আকারে দিতে পারেন।
- নবম-দশম শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান বইটি একবার বাছাই করে পড়বেন।
- পড়ার সময়ই মাথায় পরিকল্পনা করে রাখবেন, কোথায় কোথায় চিত্র দেবেন। ইউটিউবে নানা রকম বিজ্ঞানভিত্তিক ভিডিও রয়েছে। চাইলে আপনি আপনার পড়ার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ভিডিও দেখতে পারেন।
-প্রাসঙ্গিক চিত্র দিলে উত্তরের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে। কিন্তু যেসব প্রশ্নে প্রাসঙ্গিক চিত্র দেওয়ার সুযোগ নেই, সেসব প্রশ্নের উত্তরে নম্বর বেশি পাওয়ার আশায় জোর করে চিত্র দিলে উত্তরের গ্রহণযোগ্যতা কমার পাশাপাশি নম্বর কম আসবে। তাই জোর করে চিত্র দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। চিত্র আঁকার ক্ষেত্রে পেনসিল ব্যবহার করুন।
- সূত্রগুলো একটি খাতায় লিখে রাখলে রিভাইস করতে সুবিধা হবে। অনেক প্রশ্নের উত্তর করতে হয়, তাই প্রতিটি প্রশ্নের মূল কথা লিখতে হবে। মূল কথা লিখতে পারলেই নম্বর, অযথা বেশি লেখার প্রয়োজন নেই।
- যথাসম্ভব কাটাকাটি করবেন না। এতে খাতার সৌন্দর্য নষ্ট হয়।
- পড়াশোনা শুরু করার আগেই সব বই সংগ্রহ করে রাখতে হবে। এরপর আপনি নিজে বোর্ডের বইগুলা দেখে এবং অধ্যায়ভিত্তিক বিশ্নেষণ করে ঠিক করবেন যে, আপনি কোন কোন বই থেকে কোন কোন চাপ্টার পড়বেন। নিজে অ্যানালাইসিস করুন, নিজের বই নিজে ঠিক করুন। আপনি যদি প্রয়োজনীয় বইগুলোথেকে পড়েন এবং নোট করেন তাহলেও আপনার খুব বেশি সময় লাগবে না।