ঢাকা সিটি নির্বাচন: অভিযোগের জবাব চেয়ে ইসিকে তাবিথের চিঠি

প্রকাশ: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০   

সমকাল প্রতিবেদক

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

ঢাকার সদ্য সমাপ্ত সিটি ভোটে অনিয়মের বিভিন্ন অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) দেওয়া চিঠির জবাব চেয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটির বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তাবিথ আউয়াল। তিনি বলেছেন, নির্বাচনের সময় বিভিন্ন অভিযোগ জানিয়ে তিনি ইসিতে ২৫টি চিঠি দিয়েছিলেন। কিন্তু ইসির কাছ থেকে কোনো জবাব পাননি।

এসব অভিযোগের জবাব চেয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা বরাবর চিঠি দিয়েছেন তাবিথ। চিঠিতে বিএনপির এই প্রার্থী বলেছেন, চিঠি পাওয়ার তিন কার্যদিবসের মধ্যে এসব অভিযোগের লিখিত জবাব দেওয়া না হলে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন।

সিইসি বরাবর লেখা ওই চিঠিতে তাবিথ জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় তার প্রতি নির্বাচন কাজে জড়িত কর্মকর্তা-কর্মচারী, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি অসহযোগিতামূলক আচরণ করেছে। নির্বাচনপূর্ব ও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসি বরাবর লিখিত আবেদন-অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তাবিথ চিঠিতে বলেন, নির্বাচনী প্রচারকালে তার ও তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা নেওয়া হয়নি। হামলার সময় পুলিশের যে কর্মকর্তার বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ ছিল, তাকেই কমিশন তদন্তের দায়িত্ব দিয়েছে। ওই ঘটনায় তিনি কোনো প্রতিকার পাননি।

তাবিথ আরও বলেন, বিধি ভঙ্গ করে নির্বাচনের ফল একত্রীকরণ করা হয়েছে। একত্রীকরণ বিবরণী তাকে ও তার নির্বাচনী এজেন্টকে সরবরাহের নিয়ম থাকলেও এখন পর্যন্ত দেওয়া হয়নি।

পোস্টার ও মাইক ছাড়া প্রচারে নামতে প্রার্থীদের সঙ্গে ইসির বৈঠক: আসন্ন ঢাকা-১০ আসনের উপনির্বাচনে পোস্টার ও মাইকিং ছাড়া প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচার পরীক্ষামূলক বাস্তবায়ন করতে চায় ইসি। প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে বিকল্প প্রচার ব্যবস্থার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী রোববার বৈঠকে বসছে কমিশন। পরিবেশদূষণ, শব্দদূষণের হাত থেকে সাধারণ জনগণকে রক্ষায় এ পদ্ধতি চালু করতে চায় তারা।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, পোস্টার, মাইকিংয়ের বাইরে ইসির পক্ষ থেকে প্রার্থীদের কিছু বিকল্প পদ্ধতি গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হবে। প্রার্থীদের কাছ থেকেও পরামর্শ চাওয়া হবে। ইসির সঙ্গে প্রার্থীরা একমত হলে সমঝোতার ভিত্তিতে বিকল্প প্রচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বিশেষ করে বিকল্প হিসেবে পথসভার পরিকল্পনা আছে। বিধিমালায় জনসভার অনুমতি আছে। ডিজিটাল প্রচারণার বিষয় থাকতে পারে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার হতে পারে। আগামী ২১ মার্চ ঢাকা-১০, গাইবান্ধা-৩ ও বাগেরহাট-৪ আসনের উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।