পোশাক শিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে হবে: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী

প্রকাশ: ০৪ ডিসেম্বর ২০১৯   

সমকাল প্রতিবেদক

জাতীয় বস্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়- সমকাল

জাতীয় বস্ত্র দিবস উপলক্ষে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়- সমকাল

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী তৈরি পোশাক খাতের প্রতিযোগী সক্ষমতা বাড়াতে মূল্য সংযোজন বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি এই পণ্যের বহুমুখীকরণের কথাও বলেছেন মন্ত্রী।

জাতীয় বস্ত্র দিবসের র‌্যালির আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় এমন পরামর্শ দেন মন্ত্রী। বুধবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউ থেকে শুরু হওযা ওই বর্ণাঢ্য র‌্যালির খামারবাড়ী মোড় ঘুরে আবার মানিক মিয়া এভিনিউতে এসে শেষ হয়। নেতৃত্ব দেন তিনি। নানা রংয়ের ফেস্টুন এবং ব্যানার নিয়ে বস্ত্রখাতের তিন সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ ও বিটিএমএ প্রতিনিধিরা র‌্যালিতে অংশ নেন। দিবসের প্রতিপাদ্য ছিল, 'বস্ত্রখাতের বিশ্বায়ন, টেকসই উন্নয়ন'।

এবারই প্রথম দেশে জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত হলো। গত ৯ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রতিবছর ৪ ডিসেম্বরকে জাতীয় বস্ত্র দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত হয়। স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে পাট ও বস্ত্রের বিশেষ ভূমিকা ছিল। এই বিবেচনা থেকে স্বাধীনতার মাসে গত তিন বছর ধরে ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস পালন করা হচ্ছে। এ ধারাবাহিকতায় বিজয়ের মাস ডিসেম্বরের ৪ তারিখকে বস্ত্র দিবস ঘোষণা করা হয়।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী আরও বলেন, রানা প্লাজা ধসের পর বস্ত্রখাতের যে ক্ষতি হয়েছিল তা শেষ পর্যন্ত কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। বিদেশি ক্রেতাদের শর্ত অনুযায়ী কমপ্লায়েন্স শর্ত প্রতিপালন করছে প্রতিটি কারখানা। নিরাপদ কর্মপরিবেশের পাশাপাশি বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সবুজ কারখানা এখন বাংলাদেশে। সরকারের রুপকল্প-২০২১ অনুযায়ী স্বাধীনতার ৫০ বছর পুর্তি উপলক্ষ্যে বস্ত্র রফতানি থেকে ৫০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্য অর্জনে নতুন বস্ত্র আইন এবং বস্ত্র নীতি করা হয়েছে। বস্ত্র ও পাট সচিব লোকমান হোসেন মিয়া অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বস্ত্র দিবসের মূল অনুষ্ঠান হবে আগামী ৯ জানুয়ারি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর অনুষ্ঠানমালা উদ্বোধন করবেন। ওই দিন রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে (বিআইসিসি) আলোচনা সভা হবে এবং বস্ত্র খাতে অবদানের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান করা হবে। একই দিনে বস্ত্র মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।