বাংলাদেশ বিষয়াবলি
-প্রয়োজনীয় চিহ্নিত চিত্র ও ম্যাপ আঁকুন। যথাস্থানে বিভিন্ন ডাটা, টেবিল, চার্ট, রেফারেন্স দিন। পেপার থেকে উদ্ৃব্দতি দেওয়ার সময় সোর্স এবং তারিখ উল্লেখ করে দেবেন। পরীক্ষার খাতায় এমন কিছু দেখান, যেটা আপনার লেখাকে আলাদা করে তোলে। যেমন ধরুন, বিভিন্ন সোর্সসহ রেফারেন্স দিতে পারেন। উইকিপিডিয়া কিংবা বাংলাপিডিয়া থেকে উদ্ৃব্দত করতে পারেন। বিভিন্ন মিডিয়ায় দেশের নানা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কে কী বললেন, সেটা প্রাসঙ্গিকভাবে লিখতে পারেন।
- বিভিন্ন রেফারেন্স, টেক্সট ও প্রামাণ্য বই অবশ্যই পড়তে হবে। বিসিএস পরীক্ষায় অনেক প্রশ্নই কমন পড়ে না। এসব বই পড়া থাকলে উত্তর করাটা সহজ হয়। প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্নিষ্ট ধারা, নানা রেফারেন্স থেকে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে।
-বাংলাদেশের সংবিধান ভালো করে পড়বেন। কোনো প্রশ্নের উত্তরে সংবিধানের ধারা উল্লেখ করার সুযোগ থাকলে ধারাটি তুলে ধরবেন। পুরো সংবিধান মুখস্থ করার কোনো দরকারই নেই। যেসব ধারা থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলোর ব্যাখ্যা খুব ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ূন। সংবিধান থেকে ধারাগুলো হুবহু উদ্ধৃত করতে হয় না।
-লেখার মধ্যে যতটা সম্ভব তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরবেন। তথ্য-উপাত্ত বেশি হলে চার্ট বা টেবিল এঁকে তথ্য তুলে ধরবেন। তাতে কম সময়ে বেশি তথ্য তুলে ধরতে পারবেন। সরকার কর্তৃক প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে যে কোনো তথ্য দেওয়ার চেষ্টা করবেন। তাহলে তথ্যটি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য হবে বেশি। তবে কখনই ভুল তথ্য দেবেন না।
[বাকি অংশ আগামী সংখ্যায়]